দিনযাপন | ২২০৩২০১৫

শাহবাগ থেকে বাসায় ফেরার পথে আজকে আরেকজন মজার রিকশাওয়ালার সাথে পরিচয় হলো। উনি মূলত একজন বাউল, সিরাজগঞ্জ বাড়ি। নাম দুলাল আবেদিন। ঢাকা শহরে এসে এখন রিকশা চালান ঠিকই, কিন্তু একই সাথে গানও করেন। সাদা শার্ট, সাদা ধুতি, সাদা পাগড়ি বেঁধে তিনি পোশাক – পরিচ্ছদেও তার বাউলত্ব ধরে রেখেছেন। ভায়োলিন -এর ব্যাগ কাঁধে দেখে তিনি গদগদ হয়ে বললেন, ‘কোথায় যাবেন চলেন। ভাড়া যা ইচ্ছা দিয়েন। আপনিও শিল্পী, আমিও শিল্পী, আপনাকে তো মন চায় ফ্রি-তেই নিয়া যাই!…’ আমিও বেশ ইন্টেরেস্টেড হয়ে তার রিকশাতেই উঠলাম। সারা রাস্তা উনি তার নিজের গল্প করলেন, আমি গান-টান করি কি না এসবের  খোঁজ-খবর নিলেন। আমি বললাম যে থিয়েটার করি আমরা, আর ভায়োলিন মাত্র শিখতে শুরু করেছি। কথায় কথায় তাকে আবার ২৫ তারিখ বিকেলে লাল যাত্রার দাওয়াতও দিয়ে দিলাম! … বললাম যে ওই এলাকায় থাকলে বিকালে চলে আইসেন ছবির হাটে, গান বাজনা হবে, আপনার ভালো লাগবে নিশ্চয়ই … ভদ্রলোকের বউ-বাচ্চা সব সিরাজগঞ্জ থাকে। এক ছেলে এক মেয়ে। উনি ঠিক করেছেন ছেলেকে কয়েকদিন পরে হাফিজি মাদ্রাসায় ভর্তি করাবেন, তারপর সে কামিল হবার পর তাকে আবার লালনের গান করাবে। লালনের সাধক হয়ে ছেলেকে মাদ্রাসায় পড়াবে এইটা নিয়ে আমি কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই তিনি নিজেই সেটার ব্যাখ্যাও দিয়ে দিলেন – ‘ দ্যাখেন, সে যদি কোরানের হাফেজ হয়, তাহলে সে আল্লাহ আর সৃষ্টি সম্পর্কে সব জানবে। তারপর সে লালনের গান গাইবার সময় যখন কাটমোল্লারা এসে তাকে দুইটা কথা শোনাবে, তখন সে তাদেরকে দশটা জবাব দিয়ে দিতে পারবে! আমি তো সেটা পারি না! আমার ছেলের কোরান জানা থাকলে সে লালনকে আরও ভালো ব্যাখ্যা করতে পারবে মোল্লাদের কাছে!’ … তার কথা শুনে আমি আর কিছু বলার ভাষা হারায় ফেললাম! এত গভীরভাবে চিন্তা করে লোকটা! … না পারতে বললাম, ‘বাহ! আপনার চিন্তা অনেক সুন্দর!’ … উনি তখন আরও এটা-সেটা কথা বলতে বলতে আরেকটা সুন্দর কথা বললেন, ‘ পড়াশোনা করে বড় ডিগ্রি নিয়ে কি লাভ যদি সেটা কোনো কাজে না লাগে? তাই এমন কিছুই করতে হবে যেটা জীবনের জন্য কাজে লাগানো যায়! … ‘

উনি নাকি ছবির হাট, চারুকলা, শাহবাগের আশেপাশেই থাকেন সারাদিন। বললাম যে প্রতিদিনই রাতে দশটা-সাড়ে দশটার দিকে আমাদের ওই এলাকায় যাওয়া হয়, উনি থাকলে আবারো দেখা হয়ে যাবে। … আমি চাই-ও আবারো দেখা হোক … উনি একতারা বাজায়, দোতারা বাজায়, সামনে নাকি একটা ঢোল কিনবে বলে প্ল্যান করছেন … উনার গান শুনবো একদিন … সবাই মিলে … নোবেল ভাই, গোপী, রানা, ফুয়াদ সবাই সহ। কয়েকদিন আগের ফুলওয়ালা রিকশাওয়ালার কথা শুনে নোবেল ভাই বলছিলো যে সে একদিন এক রিকশায় চড়েছে, যেটার চালক ছিলো বাউলের গেট-আপ পরা, আর লালনের গান গাইছিলো সারা রাস্তা। … আমার আজকে ওই রিকশায় আসতে আসতে মনে হলো যে নোবেল ভাই ওইদিন এই একই ব্যক্তির রিকশাতেই চড়েছিলো! … আসলে যদি সেটাই হয়, তাহলে ব্যাপারটা আরও মজার হবে! …

তো, উনি যে লাস্টে পড়াশোনার প্রসঙ্গে কথা বললেন, সেটা আমাকে বেশ স্ট্রাইক করলো। কারণ, এই কথাটা আমি নিজেও ভাবি যে একটা বিষয়ে পড়াশোনা করে সেটা যদি আমি কাজেই লাগাতে না পারি, তাহলে সেই বিষয়ে পড়ার দরকার কি? …

মজার ব্যাপার হচ্ছে, আজকেই শাহবাগে যাবার পথে হাঁটতে হাঁটতে আমি আর গোপী কথা বলছিলাম পড়াশোনা, ভার্সিটি এসব নিয়ে। ও বলছিলো একাডেমিক পড়াশোনা তার ভালো লাগে না, ছেড়ে দিতে চায়, ফ্যামিলির কারণে এটাতে ঢুকতে হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি … জার্নালিজমের মতো এত ইন্টেরেস্টিং সাবজেক্টে পড়েও ওর নাকি একাডেমিক লাইফ ভালো লাগে না! …অবশ্য আমাদের দেশের যেই পড়াশোনার সিস্টেম, ভালো লাগার মতো কারণও নাই! … আমি যে সবাইকে প্রচণ্ড শক দিয়ে ইংরেজি সাহিত্য বাদ দিয়ে সাইকোলজির মতো এত চমৎকার একটা সাবজেক্টে ভর্তি হয়েছিলাম, আমারও সেকন্ড ইয়ারে উঠতে উঠতেই হাঁসফাঁস লাগা শুরু হয়েছিলো। মনে হচ্ছিলো যে ছেড়ে দেবো ভার্সিটির পড়াশোনা। সাইকোলজি সাবজেক্টটা নিয়ে আমার কোনো সমস্যাই ছিলো না। আমার এই অনুভূতির পেছনে একটা বড় কারণ ছিলো আমাদের দেশের পড়াশোনার সিস্টেম । আব্বুর মতো ইংরেজি সাহিত্য পড়বো বলে যে স্বপ্ন ছোটবেলা থেকে লালন করেছিলাম, সেই ইংরেজি সাহিত্যে পড়লেও হয়তো আমার একই রকম হাঁসফাঁস লাগতো! … সে যাই হোক, গোপীকে বলতে চাইছিলাম যে ‘ এখন হয়তো এরকম ভাবছিস, কিন্তু আলটিমেটলি কয়েক বছর পর নিজেরই মনে হবে যে ‘গ্রাজুয়েটেড’ তকমা লাগানো একটা একাডেমিক সার্টিফিকেট আসলে দরকার হয়! … এগজাক্টলি তোর মতো বয়সেই পড়াশোনা নিয়ে ঠিক এরকম করেই ভেবেছি যেমনটা তুই এখন ভাবছিস, এমনকি অনেকভাবেই পড়াশোনা থেকে দূরে সরেও গেছি … কিন্তু তাতে করে একটা সময় আমার নিজেরই মনে হয়েছে ভুল করছি বোধহয় … ইত্যাদি ইত্যাদি ‘ … কিন্তু কথাগুলো ওকে বলা হয়নি, কারণ তার মধ্যেই আবার নোবেল ভাই, রানা ওরা অন্যান্য প্রসঙ্গে একটা-দুইটা কথা বলতে বলতে এই কথার প্রসঙ্গ থেকে আমরা অনেক দূরে সরে গেলাম … তো, সেই বাউল রিকশাওয়ালার মুখে পড়াশোনা প্রসঙ্গে ওই কথা শুনে মনে হলো যে কথাগুলো গোপীকে বলা হয়নাই ভালোই হয়েছে! … আসলেই তো! যার ধ্যান – ধারণা মিউজিক নিয়ে, সে জার্নালিজমের একাডেমিক সার্টফিকেট দিয়ে কি করবে? … এর চেয়ে মিউজিক নিয়ে পড়াশোনা করুক, তাও ভালো! …

কেন যে আমাদেরকে এমন একটা নিয়মের মধ্যে থাকতে হয় যে একাডেমিক সার্টিফিকেট দিয়ে মানুষ মানুষকে স্ট্যান্ডার্ডাইজ করে! ‘অমুক ইউনিভার্সিটি’, ‘ তমুক সাবজেক্ট’, ‘এতগুলা ডিগ্রি’, ‘অতগুলা জিপিএ’, ‘এই স্কলারশিপ’, ‘ ওই পিএইচডি’ … কতকিছু! স্কুল-কলেজ-ভার্সিটিতে পড়ালেখা না করেও তো একজনের পক্ষে সবকিছু শেখা সম্ভব! কিন্তু, সেটা যদি কেউ করে, এবং আনলেস সে একজন বড় হ্যাটম না হয়, তাহলে কি কেউ তাকে আদৌ দুই পয়সার দাম দেয়? … হ্যাঁ, যদি সে হয় ‘আর্টিস্ট’ , তাহলে তার পড়ালেখা সংক্রান্ত বিষয়- আষয় সাত খুন মাফ! ভাবটা এমন যে ‘আর্টিস্ট তো! সে জন্য পড়াশোনার বালাই নাই! পড়ালেখা করে কে কবে আর্টিস্ট হতে পেরেছে? … এমন কি যে ছেলেটা বা মেয়েটা চারুকলায় পড়ে, সে যদি সারাক্ষণ লাইব্রেরিতেই বসে থাকলো, কিংবা থিওরিটাই ভালো মতো জানলো, আর উরাধুরাভাবে না ঘুরলো-ফিরলো, তাহলে কি আর সে আর্টিস্ট হতে পারবে?? … ‘ এরকম সাধারণ জ্ঞানের ভাণ্ডারের মাঝখানে আমাদের বসবাস! …

এই এক একাডেমিক লাইফ নিয়েই আমার জীবনে এত এত ঘটনা যে সেগুলা নিয়ে লিখতে শুরু করলে একটা মহাকাব্য হয়ে যেতে পারে! … ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষার মেরিট লিস্টে ৩৯ নাম্বার সিরিয়ালে থাকার পরও সব বাদ দিয়ে সাইকোলজি নিলাম, ফার্স্ট ইয়ারে ডিপার্টমেন্ট-এ টপ স্কোরারও  হলাম, আবার একটা কোর্সে ‘এফ’ গ্রেড পাওয়ার কারণে অনার্সের ফাইনাল রেজাল্টে ফেইল-ও আসলো! … সেই একই ফেইল করা কোর্সে একই প্রজেক্ট পেপারে আবার ৩.৭৫ পেয়ে পাসও করলাম! … অনার্স ফাইনাল পরীক্ষা আর ফাইনালি পাস করার সার্টিফিকেট পাওয়ার মাঝখানে তিনটা বছর চলে গেলো! … পাস করার পড় এখন আবার নতুন করে শুরু হয়েছে ‘ মাস্টার্স করবা না?’ … ‘ দেশে থাকবা না বাইরে যাবা?’ … ‘ বাইরে যেতে হইলে বিয়ে করে তারপর জামাই নিয়ে চলে যাও!’ … আচ্ছা, বাইরে যদি আমি যাইও, সেটা তো আমার পড়াশোনার জন্য যাবো, এখানে বিয়ে-জামাই এসবের প্রসঙ্গই বা কোথা থেকে আসে! … আর মাস্টার্স না করলে কি আমার জীবনের পথচলা কোনোভাবে থেমে থাকবে? … এ যাবতকাল পর্যন্ত আমার কাজের যাচাই তো আমার একাডেমিক হিস্ট্রি করে নাই, বরং আমার মেধা দিয়ে আমি কাজ পেয়েছি! … আমি যে লেখালিখি করি, অনুবাদ করি, প্রায় আড়াই বছর একটা স্বনামধন্য ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে জিওগ্রাফির মতো একটা সাবজেক্ট পড়িয়েছি, এই যে আমি থিয়েটার করি, কিংবা ফটোগ্রাফি করি  – এর কোনটাতেই তো আমার একাডেমিক সার্টিফিকেট দরকার হয় নাই! … এমনকি ইউনিভার্সিটিতে তাক লাগানো জিপিএ নিয়ে পাস করা অনেক স্টুডেন্ট -এর চাইতেও তো আমার জ্ঞানের পরিধি বেশি, আমার চিন্তার পরিধিও অনেক উন্মুক্ত … এমনকি যারা এখন ইউনিভার্সিটিতে টিচার হচ্ছে, তাদের অনেকেই ইংরেজি বলতে গেলেও দাঁত ভেঙ্গে যাবার অবস্থা হয়, অথচ ইউনিভার্সিটির বেশিরভাগ কোর্সেই ইংরেজিতে পড়া ও লেখা বাধ্যতামূলক! …

একটা মজার ঘটনা মনে পড়লো! সাইকোলজি পড়তে গিয়ে এরকম টিচারের ক্লাসও আমার করতে হয়েছে যিনি ইংরেজি বলতেই পারেন না, স্টুডেন্টদেড় উৎসাহিত করেন বাংলায় লেখার জন্য, কেউ যদি ইংরেজিতে প্রশ্নোত্তর লেখেও, সেখানে বইয়ের বাইরে একটা শব্দ থাকলেও তিনি বোঝেন না, আর নিজের স্টুডেন্ট লাইফের বাংলা নোট দেখে দেখে ক্লাসে লেকচার দেন! কোর্সের যে মূল ইংরেজি বই, সেটা থেকে আমি তাকে কোনোদিন এক লাইনও পড়তে বা ব্যাখ্যা করতে শুনিনি! আর আমিও তো ত্যাড়া কম না! তাকে ইচ্ছে করেই ক্লাসে কন্টিনিউয়াস এটার – ওটার ইংরেজি টার্ম জিজ্ঞেস করে অস্বস্তিতে ফেলতাম! কিন্তু আমার কোনো প্রশ্নেরই উত্তর তিনি দিতে পারেননি! শেষে বাধ্য হয়ে বলেছেন, ‘ অ্যাই মেয়ে, তুমি এত কথা বলো কেন? চুপচাপ বসো। আর যা যা বোঝোনা, সেগুলা বইতে দেখে নিবা!’ … তো, বইতেই যদি আমাকে দেখতে হয়, তাহলে আমার কষ্ট করে সেই ক্লাসই বা করার দরকার কি, আর সেটার ওপর আবার পরীক্ষা দিয়ে পাস করারই বা দরকারটা কি? … বই লাইন বাই লাইন মুখস্ত করে তো কোনোদিন পরীক্ষা দিতে যাই নি! মূল ভাবটা বুঝে নিয়ে নিজে নিজে সাজিয়ে লিখেছি! … করলাম না আর তার ক্লাস! জিদ করে একবার তার কোর্সের মিডটার্ম-ও দেই নাই! …

এরকম কত যে গল্প আছে, আর প্রতিটা গল্পই আমাকে দিনশেষে এটাই প্রশ্ন করিয়েছে যে ‘ সার্টিফিকেট দিয়ে কি হয়?’ … ভার্সিটিতে যদি কেবলমাত্র ‘সার্টিফিকেট’ এর জন্যই পড়তে হয়, আর সেখান থেকে যদি আদৌ যে বিষয়টা পড়ছি সেটা নিয়ে কিছু শিখতে না পারি, তাহলে ভার্সিটিতে পড়াশোনা করারই বা মানেটা কি? … ওই শিক্ষা তো এমনিতেই বই কিনে, নইলে নেট ঘেঁটে পাওয়া যায়! …

কিন্তু, তারপরও, সার্টিফিকেট আছে কি নাই, সেটা দিয়ে আমাদের দেশে এখনও অনেক কিছু যাচাই হয়! … কয়েকদিন আগেই বিয়ের প্রসঙ্গে বলছিলাম যে মা’কে এগুলা নিয়ে বাইরে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। আমি নিশ্চিত আমার পড়াশোনা, ক্যারিয়ার এসব নিয়েও আমার মা’কে তার বন্ধু বা কলিগদের কাছে অনেক কথা বানিয়ে বানিয়ে বলতে হয়। কারণ, তার বন্ধু বা কলিগদের সে যদি বলে যে ‘ আমার মেয়ে তো ডিপার্টমেন্ট-এর টিচারদের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে ওর অনার্সের থিসিস পেপার জমা দেয় নাই!’ , তখন সেই কলিগরা সেটা তো হজম করতেই পারবে না, বরং আমার মা কত বাজে প্যারেন্ট যে মেয়েকে ‘মানুষ’ করতে পারেনাই, সে বিষয়ে তাকে বিভিন্ন কথা শুনতে হবে! … কেন আমি মাস্টার্স করি নাই, কেন আমি এখনো কোনো ‘ভালো চাকরি’ করি না, সে বিষয়ে তো আমার মা-ই আমাকে এটা- ওটা বলতে চায় এবং আকার-ইঙ্গিতে বলে, সেখানে বাইরের মানুষ তো বাইরের মানুষই! …

সেদিন কথায় কথায় মা-কে বলছিলাম যে আপাতত আর কোনো চাকরি-বাকরি করার ইচ্ছা আমার নাই। টুকটাক ফ্রি-ল্যান্স কাজ করবো। সে মুখ ফুটে কিছু বলতে পারে নাই, কিন্তু চেহারাতে এক্সপ্রেশন দিলো এমন যে মানুষকে তাহলে সে আমার কি পরিচয় দেবে! স্রেফ অনুবাদ করি এটা তো কোনো ‘প্রফেশনাল আইডেন্টিটি’ হতে পারে না! …

আমিও আর কিছু না বলে তখন মা’র সামনে থেকে শরে গেছি, কারণ আমার তো প্রফেশনাল আইডেন্টিটি আছেই, ‘আমি একজন আর্টিস্ট’ ! … এটাও যে একটা আইডেন্টিটি হতে পারে এটা যদি আমার ‘সানন্দা’র মতো র‍্যাডিক্যাল পত্রিকা পড়া, জি বাংলায় বিভিন্ন ‘মুক্তচিন্তা’র প্রকাশ ঘটানো সিরিয়াল দেখা, উচ্চ শিক্ষিত, দৃশ্যত প্রগতিশীল চিন্তার অধিকারী মা-ই না বোঝে, তাহলে আর কে কীভাবে বুঝবে! …

সবকিছুই যদি দিনশেষে ‘প্রচলিত ধারণা’ র কাছেই বাধা পেয়ে নতজানু হয়ে যায়, তাহলে আর সত্যিকারের প্রগতি কীভাবেই বা আসবে? …

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s