দিনযাপন | ০৭০৫২০১৫

দুইদিন যাবৎ দিনযাপন লিখতে বসিনি …

তার কারণ যতটা না আলসেমি, তার চেয়ে বেশি ‘ ওয়ান্স আপন আ টাইম’ নামে একটা সিরিজ। অনলাইন লিঙ্কটায় কি মুভি দেখবো ভাবতে ভাবতে দুইদিন আগে হঠাৎ করেই এই টিভি সিরিজটার ফোর্থ সিজন দেখা শুরু করলাম … এবং, সবসময় যা হয় আর কি! পুরো সিজনের সবগুলো পর্ব গোগ্রাসে গেলার মতো করে একটার পর একটা দেখতেই থাকি … কাজকর্ম, খাওয়া-দাওয়া সব বাদ যায় যায় অবস্থা … গত দুইদিন ধরেও তাই হচ্ছে … এর মধ্যেই হয়তো ভাবছি যে দিনযাপনটা অন্তত লিখতে বসি, তারপরেই মনে হচ্ছে, ‘ আচ্ছা, ওই যে লাস্ট পর্বটা দেখলাম, এরপর কি হইলো সেটা তো জানা দরকার … আচ্ছা ওইটা দেখে নেই … আচ্ছা, আরেকটা পর্ব দেখে নেই … আচ্ছা, থাক, ঘুম আসতেসে, আজকে আর লিখতে বসার এনার্জি নাই …’ …

সে কারণেই আজকে আমি মনে মনে ডিটারমাইন্ড যে আগে দিনযাপন লিখবো, তারপর সবকিছু …

গত দুইদিনে ছোটো ছোটো কিছু টুকটাক ঘটনা ছাড়া অবশ্য আর খুব বিশেষ কিছু হয়নাই …

যেমন, গতকালকে অ্যাভেঞ্জারস ঃ এজ অব আল্ট্রন দেখতে গেছি বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্স-এ … ২ তারিখে মুভিটা আসার পর থেকেই প্রাচ্যনাটের সার্কেলে সবাইকে গুতাচ্ছিলাম অ্যাভেঞ্জারস দেখতে যাবে কি না সে জন্য … রবি’র সিম থাকলে একটা টিকিটের সাথে আরেকটা ফ্রি পাওয়া যায়, এইরকম একটা অফার চলতেসে … সুতরাং এই সুযোগে দলবল নিয়ে মুভিটা দেখে আসা যেতো, আর টিকিটের টাকাও অর্ধেক হয়ে যেতো সবার জন্য … কিন্তু কারোরই তেমন গরজ দেখলাম না … দুই-একজন রাজি রাজি ভাব দেখালো, কিন্তু আমার মতো ‘পারলে কালকেই দেখবো’ টাইপ উত্তেজনা কারো নাই … এর মধ্যে তিন্নি আপু’র সাথে সোমবার রাতে কথা প্রসঙ্গে জানলাম যে সে পরদিনই টিকিট কাটছে অ্যাভেঞ্জার্স-এর … আমিও সাথে সাথে দুই হাত তুলে রাজি হয়ে গেলাম যে আমিও যাবো … কারণ প্রাচ্যনাটের সার্কেলের সব মাথা এক করতে করতে আমারই মেজাজ খারাপ হয়ে যেতো, আর পরে মুভিটাও দেখা হতো না … ওদের সবাইকে নিয়ে হইহই করে দেখতে চাইসিলাম, মজা করতে চাইসিলাম … কিন্তু সেই মজা করার মোটিভেশন যেহেতু তাদের কারো নাই, সো সেটার পেছনে সময় নষ্ট করে তো লাভ নাই … সো, তিন্নি আপুর সাথে প্ল্যান অনুযায়ীই বুধবার সাড়ে চারটার শো দেখতে যাওয়া হলো … কিন্তু তিন্নি আপু আর তার ভাইয়ের মিস কম্যুনিকেশনের কারণে টিকিট রয়ে গেলো তাদের বাসায়, তারপর তিন্নি আপুর ভাই সেই টিকিট নিয়ে আসতে গিয়ে দেরি করলো … ফলে আমরা যখন হলে ঢুকলাম, তখন অলরেডি পাঁচটা বাজে …

আধাঘণ্টা’র কাহিনী মিস করার কারণে তো বটেই, মুভিটার থ্রি ডি ইফেক্ট- এর মজার জন্যই আমার আরেকদিন যাওয়ার ব্যাপক আগ্রহ কাজ করছে … তিন্নি আপুরও তাই ইচ্ছা … আরেকদিন হয়তো আবার এই মুভি দেখতে যাওয়া হবে … তবে একটা কিনলে আরেকটা ফ্রি অফারের পরে অবশ্যই … নইলে ব্যাপক ভিড়ভাট্টার মধ্যে পড়ে যেতে হয় …

অ্যাভেঞ্জারস কাহিনী’র পরের নোট ডাউন করার মতো কাহিনী হচ্ছে ফোন কেনা … “অ্যান্ড্রয়েড ফোন ছাড়া চলছেই না”  টাইপ একটা অবস্থার মধ্যে পড়ে যাচ্ছিলাম, সে বিষয়ে তো আগেই অনেক কথা লিখে ফেলেছি … মা বেতন পেয়ে কিছু টাকা দিলো ফোন কেনার জন্য … ওইদিন অ্যাভেঞ্জার্স দেখতে বসুন্ধরা সিটি যাবার সুবাদে ফোনটাও সেখান থেকে কিনে ফেললাম … একা একাই কিনতে হবে ভাবছিলাম, কিন্তু ইন্টেরেস্টিংলি সাথে তিন্নি আপুর ভাই অমি আর তার দুই ফ্রেন্ড -এর সঙ্গ পাওয়া হয়ে গেলো … সিনেমা শেষ করেই তিন্নি আপু অ্যাসাইনমেন্ট-এ দৌড় দিলো, অমি-দের কোনো কাজ নাই, তাই ফোন কিনবো শুনে তারাও সঙ্গ দিতে রাজি হয়ে গেলো … তাতে আমার ভালোই হলো … আমি যে এসব ফোনের কনফিগারেশন খুব ভালো বুঝি তা না, ফলে একা একা কিনতে গেলে একটা ভয় থাকে যে মনে হয় ঠকবো … ওরা দেখলাম এগুলা বেশ ভালোই বোঝে … আমি পছন্দ করলাম, ওরাই দেখে শুনে বললো কনফিগারেশন কেমন …

তো, যেই সেটটা কিনেছি, সেটাকে ‘অ্যাপল’ এর লোগো আঁকা একটা ব্যাক কাভার দিয়ে দিলে দূর থেকে মানুষ ‘আই ফোন ফাইভ’ বলেই ভুল করবে … দেখতে প্রায় একই রকম … ‘ আই ফোনটা কিনেই ফেললাম’ টাইপ মজা নেয়া যাচ্ছে এখন মানুষের সাথে … বলছি, ‘ওয়াল্টন কোম্পানির আই ফোন’ …

আজকে যেমন ঘড়ি কিনলাম পাটুয়াটুলি থেকে … গিয়ে দেখি ফাস্টট্রেক -এর ঘড়ির রেপ্লিকায় মার্কেট সয়লাব … দামাদামি করে ২০০/২৫০ টাকায় কেনা যায় সেসব ঘড়ি, আর ফাস্টট্রেক -এর লোগোও দেয়া থাকে বলে প্রথম দেখে মানুষ ভাবতেই পারে যে অরিজিনাল ফাস্টট্রেক … আমিও ওইরকমই একটা ঘড়ি কিনেছি, দাম নিয়েছে ২২০ টাকা … শাহবাগেই যেমন, সন্ধি ঘড়িটার প্রশংসা করছিলো, ওকে বললাম এইটা অরিজিনাল ফাস্টট্রেক … ও বিশ্বাসও করলো … দাম বললাম ৪৫০০ টাকা … সেটাও অবিশ্বাস করলো বলে মনে হলো না! … পরে যখন বললাম ,’ দাম মাত্র ২০০ টাকা’ তখনকার এক্সপ্রেশনটা দেখার মতো ছিলো …

পাটুয়াটুলিতে ঘড়ি অভিযানটার প্ল্যান অনেকদিন আগে থেকেই আমার আর টুটুলের ছিলো … মূলত টুটুলেরই প্ল্যান, আর আমি সাথে আগ্রহী বান্দা … সেই প্ল্যান আজকে কালকে হতে হতে ঘুরে ফিরে অবশেষে আজকে সফল হইলো … কিন্তু গিয়ে আমি বেশ হতাশ হলাম … ওখানে ঘড়ির দাম অনেক কম ঠিকই, কিন্তু ভেরিয়েশন কম … একই টাইপের ঘড়িই সব দোকানে পাওয়া যায় … এমনকি ঢাকার অন্যসব এলাকার ঘড়ির দোকানগুলোতেও ওই একই ঘড়ি, কিন্তু দাম বেশি এই যা পার্থক্য! …

আমি ভাবছি, দুনিয়াযাপন এখন কত সহজ হয়ে যাচ্ছে এই রেপ্লিকা সিস্টেমের কারণে! একটা ভালোমানের অ্যান্ড্রয়েড ফোন কিনতে হলে আমার কমপক্ষে হাজার বিশেক টাকা লাগতো, সেখানে ৬০০০ টাকার মধ্যেই সিম্ফনি, ওয়াল্টন এইসব কোম্পানির ফোন পাওয়া যাচ্ছে … সেগুলা আবার স্যমসাং গ্যালাক্সি কিংবা আই ফোনের মতো চেহারায়ও বানানো হচ্ছে … জামা-জুতা-ঘড়ি-ব্যাগ সবকিছুতেই এখন রেপ্লিকার ছড়াছড়ি …

কয়েকদিন পর মানুষও হয়তো রেপ্লিকা হয়ে যাবে … ধরা যাক কাউকে একজনের ভালো লাগলো, কিন্তু তাকে পাওয়াটা সহজ না … তখন তার মতো একটা রেপ্লিকা পাওয়া যাবে, সেটা নিয়েই সে খুশি থাকবে … ‘চলে তো যাচ্ছে! দূর থেকে দেখলে কে বলবে যে এইটা অরিজিনাল না!’ – এই উত্তরও তৈরি থাকবে …

সম্পর্কগুলাও তো অনেক আগে থেকেই রেপ্লিকা রূপ ধারণ করেছে … ‘ একজন গেলে আরেকজন আসবে, চিন্তা কি!’ … ‘ অলওয়েজ হ্যাভ আ ব্যাকআপ বিফোর আ ব্রেক আপ’ … ‘ কারো জন্য কি এখন আর কিছু থেমে থাকে না কি! ‘ … ‘ আমি আমার রাস্তায়, তুমি তোমার রাস্তায় …’ … ‘ প্রতিটা প্রেমই প্রথম প্রেম, কারণ ফিলিংসটাই আসল, মানুষটা না’ … ইত্যাদি ইত্যাদি … সম্পর্ক এখন অনেক বেশি ‘ কার্যকরিতা’ নির্ভর, ‘ অনুভূতি’ না …

কিন্তু, আমি এখনো অনেক ক্ষেত্রে এই ‘রেপ্লিকা’ জীবনযাপনে অভ্যস্ত হতে পারি নাই … আমার কাছে আবেগ-অনুভূতি-জীবন-যাপন সবকিছুই অরিজিনালিটি ডিমান্ড করে … অন্যের প্রতি আমারটা যেমন, আমার প্রতি অন্যেরটাও তেমন … আমি হয়তো আমার অরিজিনালিটি মেইন্টেইন করি, কিন্তু অন্যেরা যেহেতু আমার মতো জীবনদর্শন নিয়ে চলে না, তাই আমার প্রতি তাদের আচরণে সেই অরিজিনালিটি’র থিওরি খাটে না …

মানুষের সাথে চলাফেরায়, আচরণে অনেক ধরণের ছোটোখাটো অথচ যথেষ্ট গভীর কিছু খুঁতখুঁতানি আছে আমার … যেমন, আমার ব্যবহারের কোনো জিনিস আমি সহজে কাউকে দেই না, কারণ সেটার সাথে আমার অনেক আবেগ জড়িত থাকে … আবার অনেকসময়ই অনেক কিছু দেই, এমনকি স্বত্ব ত্যাগ করেই দিয়ে দেই …  যাকে দেই আমার জীবনযাপনে তার অস্তিত্বের একটা গুরুত্ব আছে বলেই দেই … আবার ওই একই জিনিস অন্য কেউ চাইলে তাকে সবার সামনে মুখের ওপর না বলতেও আমার বাঁধে না …

তারপরও অনেক মানুষ আমার কাছে তাদের গুরুত্বের জায়গাটা বোঝে না … আবার কেউ কেউ এত বেশি বোঝে যে সেই গুরুত্বটাকে পুঁজি করে সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে লাথি মেরে চলে যায় …

‘ওয়ান্স আপন আ টাইম’ নামে যে সিরিজটা দেখছি, সেখানে একটা ডায়ালগ বেশ ফিরে ফিরে আসে, ‘ হিরোজ অলওয়েজ উইন’ … কিন্তু, ফ্যাক্ট হচ্ছে যে সেই জয় পাবার জন্য তাদেরকে অনেক অনেক দুঃখ- কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয় … আর ভিলেনদের সবসময়ই অনেক ভালো অবস্থানে থাকতে দেখা যায়, কিন্তু শেষমেষ তাদের পরাজয় হয় … তো, এইটা দেখতে দেখতে আমার মনে হচ্ছিলো, কি জানি! আমাদের জীবনটাও তো ওইসব রূপকথার গল্পের মতোই! … আমাদেরই কেউ না কেউ হিরো, কেউ না কেউ ভিলেন … কেউ সবার কাছে হিরোর মর্যাদা পায়, অথচ সে কাজ করে ভিলেনদের মতো … আবার কেউ হিরোয়িক কাজ করেও ভিলেন হয়ে যায় … নিজের সাথে নিজের যুদ্ধ … নিজের অন্ধকার দিক আর ভালো দিক … কষ্ট পেয়ে কেউ প্রতিশোধ নেয়, কেউ নিজেকেই আরও বেশি কষ্ট দেয় যাতে ওই কষ্টের তীব্রতা ভুলে থাকা যায় …

গোপী একটু আগে একটা গান শোনালো … মানে, গানের লিঙ্ক দিলো আর কি … ‘ভ্যাম্পায়ার ডাইরিজ’ সিরিজটার একটা গান … গানটার কথাগুলা কেমন জানি কাঁটার মতো গায়ে বিঁধলো … আমাদের জীবন কতটা গল্পের মতো হয় যে যখনি আমরা যে জিনিসগুলো নিয়ে বেশি ভাবি, সেই বিষয়গুলোই আবার বিভিন্ন কথায়, গল্পে, গানে আমাদের সামনে ফিরে ফিরে আসতে থাকে? …

হঠাৎ করেই দুই/তিন দিন যাবৎ ‘তার’ কথা অনেক ভাবছি … অনেক আবেগ নিয়ে ভাবছি … আর এরকম একটা সময়ে ওরকম একটা গান … একটা মন খারাপের মন আরও বেশি খারাপ হতে আর কি লাগে? …

কেন জানি এখনো আমি মাঝে মাঝেই ‘তার’ কথা ভাবি … তার সাথে এসোসিয়েটেড সব স্মৃতিগুলোর কথা মনে করে করে দুঃখ পাই, রাগ করি, দীর্ঘশ্বাস ফেলি … আমি কোনোভাবেই তাকে ‘জাস্ট অ্যানাদার চ্যাপ্টার’ বলে মন থেকে মুছে ফেলতে পারি না … পারি না দেখে আরও নিজের মধ্যেই অস্থিরতা বাড়ে … আর সেই অস্থিরতা টাকে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না … হয়তো ওরকম ‘রেপ্লিকা’ জীবনে অভ্যস্ত হলে পারতাম … তখন হয়তো তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবার কয়েকদিনের মধ্যেই কান্না ভুলে চোখ-টোখ মুছে ফেলে আবার হাসিমুখ নিয়ে বেরিয়ে পড়তাম আর যাকেই ভালো লাগে, তার সাথেই চলতে শুরু করতাম … কে আসলো, কে গেলো তাতে কিছু যেতো আসতো না … কেউ কিছু বললে বলতাম, ‘ এই প্রজ্ঞা জীবনে কাউকে চোদে নাই’ … ব্যাস! কত সহজ জীবনযাপন হইতো আমার! …

অথচ, সেই আমি কি করি? রাতের পর রাত বসে বসে অ্যানালাইসিস করি যে আমাদের দুজনের প্রতিটা কথা, প্রতিটা আচরণ কতটা অন্যরকম হতে পারতো … আমি যদি অমুক কথা না বলে তমুকটা বলতাম, কিংবা ও যদি অমুক কথা না বলে তমুক কথা বলতো তাহলে কি হইতো … আমি যদি তার সবকিছু নিয়ে ‘ ওকে! আই অ্যাম কুল উইথ ইট’ টাইপ আচরণ করতাম, কিংবা সে যদি আমার কথায়, আচরণে ‘ আই আন্ডারস্ট্যান্ড’ টাইপ আচরণ করতো তাহলে কি হতো … এখনো আমি ভাবি, কোনোদিন, যদি কোনো একদিন সূর্য দক্ষিণ দিকে উদয় হবার মতো সে আবারো আমার কাছে আসতে চায়, তাহলে আমি কি বলবো! … সেরকম কিছু হলে তো আমার মুখের আগায় ‘না’ শব্দটাই তৈরি থাকা উচিৎ … কিন্তু সেইটা আমি আদৌ কতটা পারবো সেইটা নিয়ে পর্যন্ত আমি চিন্তা করি …

বাইরে ঝড় হচ্ছে মনে হয় … ঘরের ভেতরটা হঠাৎ ঠাণ্ডা হয়ে গেলো … ফ্যানটা কমানো দরকার …

ইদানীং আবারো সেই ভোররাতের আগে ঘুম না আসার অভ্যাসটা ফিরে এসেছে … দিনের আলো ফুটে, তারপর আমি ঘুমাই … ঘুম আসে না দেখে চুপচাপ শুয়ে থাকি … শুয়ে শুয়ে প্রচণ্ড গতিতে ঘুরতে থাকা ফ্যানের দিকে তাকিয়ে থাকি … তাকিয়ে থাকতে থাকতে অনেকটা সময় পার হয়ে যায় … ফ্যানটাও ক্রমাগত ঘুরতে থাকে … আর আমিও তাকিয়ে থাকি … আর ফ্যানটা ঘুরতেই থাকে … আর আমি … আর ফ্যানটা …

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s