দিনযাপন | ১৫১০২০১৫

একটা দুষ্টু বুদ্ধি মাথায় চাপসে … একটা কাজ করবো … কি করবো সেটা এখনি বলছি না … কারণ, এমন যদি হয় যে করলাম না, তাইলে বিষয়টা লেইম হয়ে যাবে … কিন্তু হঠাৎই মনে হলো যে কাজটা আজকেই করতে হবে …

যদি করে ফেলি তাহলে কালকে দিনযাপনে জানাবো …

আগামীকাল সেই সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে সাড়ে ৮টার মধ্যে স্কুলে থাকতে হবে। প্যারেন্টস – টিচার্স মিটিং আছে কালকে। সকাল ৯টা থেকে ১২টা … এরপর যে কি করবো সেটাই এখনো বুঝতে পারছি না! … কোথায় যাবো? কি করবো? … ৩টার দিকে না হয় গ্রুপে গিয়ে বসে থাকা যাবে … কিন্তু ১২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত টাইমটা কি করবো? … নায়ীমীর সারাদিনের কি প্ল্যান তা তো জানি না … এদিকে অমিত বলছিলো যে কালকে দুপুরে ওর ডিপার্টমেন্টের ফ্রেন্ডরা মিলে পুরান ঢাকা যেতে পারে … সেটা হলে হয়তো দুপুরে ওদের সাথে জয়েন করা যাবে … হাঁটাহাঁটি, ঘোরাঘুরি, পূজার প্রস্তুতির ছবি তোলা এসব করা যাবে … তাতে বেশ একটা সময় কেটে যাবে সন্ধ্যা পর্যন্ত …

এদিকে ট্রান্সক্রিপ্টের কাজও আছে … সেটাও করা লাগবে … কালকে অন্তত একটা ট্রান্সক্রিপ্ট পাঠাতে চাই … দুইটা ট্রান্সক্রিপ্ট একসাথে ধরেছি, তার মধ্যে একটা দেড় ঘণ্টা, একটা ২ ঘণ্টা … প্রায় ডবল সময় লাগবে দুইটা করতেই … ইথারকে আপডেটটা দেবো বলে ভাবছিলাম সকাল থেকেই … তারপর ভুলে গেলাম …

আজকে স্কুল থেকে বের হয়ে বসুন্ধরা সিটিতে ‘জালালের গল্প’ দেখতে গিয়েছিলাম … নায়ীমী, মেবিন, আমি … মেবিনের সাথে একটা আপু তার হাজবেন্ডকে নিয়ে এসেছিলেন … আপুকে চেহারায় চিনি, এর আগে দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে… কিন্তু নামটাই আমি মনে রাখি নাই! … উনি সিসিমপুরে টুকটুকির ভয়েজ দেন, সেটাও জানি … উনি স্কুটি চালায় সেটাও জানি … অথচ নাম জানি না! …

যাই হোক, ‘জালালের গল্প’ সিনেমাটা দেখার ব্যাপারে একটা অব্লিগেশন ছিলো যে ইমন ভাইয়ের ফিল্ম। উনি ইউনিভার্সিটিতে ডিপার্ট্মেন্ট-এর সিনিয়র, ফিল্ম সোস্যাইটির মেম্বার … সবমিলিয়ে একটা ‘মাস্ট ডু’ ব্যাপার ছিলো উনার সিনেমা দেখা … সেই ৪ তারিখে ঢাকার হলে রিলিজ হবার পরেও বিভিন্ন কারণে সময়ই বের করতে পারছিলাম না … একসময় তো ভাবলাম যে আর দেখাই হবে না … অবশেষে আজকে দেখলাম …

সিনেমা দেখার পরের অনুভূতি মিক্সড … ৫০% ভালো লাগা, ৫০% প্রশ্নবিদ্ধ … মনে হয়েছে যে কিছু জায়গায় কাহিনী যতটা লম্বা ছিলো, অতটা না হলেও হতো … আবার একদম শেষে এসে মনে হয়েছে যে বলা নেই কওয়া নেই শেষ করে দিয়েছে … যেই জালাল -কে নিয়ে গল্প তার গল্পটাই মনে হয়েছে বেশি ফুটে ওঠেনাই … বরং তার পারিপার্শিক চরিত্রগুলোই হাইলাইট পেয়েছে বেশি … মশাররফ করিমের পার্টটা বিরক্ত লাগলো … স্টোরিলাইন ভালো – এইটুকু অবশ্যই প্রশংসনীয় … কাস্টিং নিয়ে ইমন ভাই কি ভেবেছেন জানি না … তবে আমার কাছে মনে হয়েছে যে তার আরও ভাববার অপশন ছিলো …

যাই হোক, এই সিনেমা অস্কারে নমিনেশন পেয়েছে, বিদেশি সিনেমার ক্যাটাগরিতে … সেটাও একটা গর্ব করার মতো বিষয় …

ক্যামন একটা শীত শীত ভাব চলে এসেছে … বেশিক্ষণ ফ্যানের নিচে বসে থাকা যায় না … রাতে কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমাতে হয় … ঠাণ্ডা বাতাস … উইন্টার ইজ কামিং! …

আজকে আর লিখবো না … যাই, কাজটা করি গিয়ে … তারপর তো সকাল সকাল উঠতে হবে আবার …

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s