দিনযাপন । ০৮০৩২০১৬

আজকে ৮ মার্চ … আন্তর্জাতিক নারী দিবস টাইপের হাবিজাবি দিন … সারাদিন চারদিকে বেগুনির ছড়াছড়ি দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে গেলাম … এমনকি আমার মা-ও বেগুনি শাড়ী পরে বের হয়ে আবার আমাকেও উলটা বলে, ‘আজকে বেগুনি কিছু পরতা!’ … নারী দিবস টাইপ বিষয়আশয়গুলাই আমার পছন্দ না … নারী দিবসের ঐতিহাসিক কন্টেক্সট একরকম, আর বর্তমান কন্টেক্সট আরেকরকম … নারীবাদীরা ‘নারীর অধিকার’ বলে বলে মুখে ফেনা তুলতে তুলতে এমন অবস্থা হয়েছে যে ‘নারী’টাই রয়ে গেছে আর তাদের ভেতরে যে মানুষটা আছে, সেটাই বাদ হয়ে গেছে … প্রতিযোগিতা এখন ‘পুরুষের’ সমান হবার … ‘পুরুষ’ ও ‘নারী’ উভয়েই যে ভিন্ন শারীরিক ধর্মের ‘মানুষ’ সেইটা প্রতিষ্ঠা করার বিষয়টাই নাই …

আজকে সারাদিনেও দেখলাম ফেসবুকে ছেলেরা মেয়েদের ব্যাপারে আর মেয়েরা ছেলেদের ব্যাপারে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক এবং বিদ্বেষমূলক পোস্ট দিয়ে নারী দিবস উদযাপন করছে। যেমন, একজন দেখলাম কোথাও থেকে একটা পোস্ট শেয়ার করেছে যে ‘ যেদিন কোনো কর্মজীবি নারী নির্দ্বিধায় একজন বেকার পুরুষকে বিয়ে করতে পারবে সেদিনই নারী পুরুষ সমঅধিকার নিশ্চিত হবে’! … এই পোস্ট যে দিয়েছে সে বোধহয় জানেই না যে বাংলাদেশেই এরকম উদাহরণ অনেক আছে। এবং বোধ করি সে এটাও জানে না যে সেসব পুরুষদের হীনমন্যতাও এতই বেশি থাকে যে তারা তাদের পুরুষালি ইগোর অযাচিত প্রকাশনার মাধ্যমে তার চেয়ে ‘ওভার-কোয়ালিফায়েড’ বৌকে বিভিন্নভাবে ডমিনেট-ও করে রাখে।

গতবছর নারী দিবসে ফেসবুকে লিখেছিলাম –

“… নারী স্বাধীনতা নিয়ে কথা কম হোক, বরং পুরুষের পরাধীনতা নিয়ে কথা বাড়ুক। মানসিক দৈন্য নিয়ে যেসব পুরুষেরা ঘোরে, তাদেরই হীনমন্যতা নারীকে নিজের মতো চলতে বাধা দেয়। কারণ, সে সব পুরুষ জানে যে বাধা না দিলে সেই নারী যে তার চেয়ে শক্তিশালী সেটা প্রমাণ হয়ে যাবে। আমাদের পুরুষশাসিত সামাজিক শিক্ষা সেটা কখনোই একজন পুরুষকে সহজভাবে মেনে নিতে শেখায় না যে তার সঙ্গী তার চেয়ে শক্তিশালী হবে। … সুতরাং, নারীরা স্বাধীন হবার আগে পুরুষেরা পরাধীনতা থেকে মুক্ত হোক …”

এবং এইটা আমি আগেও ভাবতাম, এখনও ভাবি যে নারীর স্বাধীনতা চাই টাইপের কথাবার্তার চাইতে পুরুষের মানসিক পরাধীনতা নিয়েই কথা বেশি হোক … কারণ যতক্ষণ একটা ছেলেকে এটা শেখানো হবে যে সে ফ্যামিলিতে সুপিরিয়র, সে নারীজাতিকে ‘ইনফেরিওর’ ভাব্বেই … এবং আইরনিক্যালি, এই সুপিরিয়রিটির শিক্ষাটা ছেলেদেরকে তাদের মা-খালারাই দেয়! ফলে যখনই তাদের সমবয়সী বা কাছাকাছি বয়সের মেয়েরা ‘স্বাধীনতা’ ‘অধিকার’ জাতীয় শব্দগুলো ব্যবহার করে, তখন তারা তাদের মা-খালাদের দিয়েই চিন্তা করে আর দেখে যে ওইসব মেয়েরা তো তার বাড়িতে দেখে আসা মেয়েদের মতো না! তখন তারা স্বাভাবিকভাবেই মা-খালাদের আদলে নারী’কে ভাবতে গিয়ে ওইসব ‘স্বাধীনতা’ ‘অধিকার’ জাতীয় শব্দ ব্যবহার করা মেয়েদেরকে কখনোই স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ধরে না এবং মেনেও নিতে পারে না।

তাহলে সমস্যাটা আসলে কাদের? নারীর ? না পুরুষের? না সামাজিক শিক্ষার?

নারী দিবসে বেগুনি শাড়ি পরে ‘আমি নারী, আমারও অধিকার আছে পুরুষের মতো চলার’ টাইপের বুলি আওড়ালে আসলে দুনিয়ার তাবত পুরুষের মনোভাব কতটুকু চেঞ্জ হবে সেইটা আমার একটা বিরাট প্রশ্ন!

কারণ মেয়েরাই এখনো নিজেকে ‘মেয়ে’ না ভেবে ‘মানুষ’ ভাবার অনুশীলনে অভ্যস্ত হতে পারে নাই … একটা মেয়ের চলন-বলন নিয়ে আরেকটা মেয়ে-ই সবচেয়ে আগে প্রশ্ন তোলে এই বলে যে ‘ছেলেরা কি ভাব্বে?’ …

রাস্তায় যখন হাঁটি, ব্যাগ-প্যাক কাঁধে থাকার কারণে পেছনে জামা যখন একটু উপরে উঠে যায়, তখন চিনিনা জানিনা মেয়েরাই পেছনে থেকে দৌড়ে এসে জামা টান দিয়ে নামিয়ে দিয়ে চোখ পাকিয়ে বলে যে ‘ জামাকাপড় ঠিক রাখতে পারেন না?’ … আবার কোনো মেয়ের জামার গলা একটু বড় হবার কারণে ব্রা-এর ফিতা দেখা গেলে মেয়েরাই দৌড়ায় এসে সেটা ভেতরে টেনে দিয়ে বলে, ‘ লজ্জা শরম নাই? সব তো দেখায় বেড়াচ্ছ!’ … এমনকি রাস্তায় একটা হ্যারাসমেন্ট-ই হোক, আর ঘরের ভেতরে রেইপ, মেয়েরাই কিন্তু আড্ডায়-আলোচনায় বসে ওই মেয়ের ড্রেস-আপ, গেট-আপ, চলাফেরা নিয়ে কথা বলবে আর সবশেষে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হবে যে সমস্যাটা তো মেয়েটারই ! …

তাহলে ছেলেরাই বা কেন লাই পাবে না ?

কয়েকদিন আগে স্কুলে ড্রামা ক্লাসে স্টুডেন্টদের ইভ টিজিং নিয়ে একটা ৫ মিনিটের স্কিড বানাতে দিয়েছিলো বৃতা। সেখানে ক্লাস সেভেনের একটা ছেলে ইম্প্রোভাইজেশনের এক ফাঁকে তার মেয়ে সহপাঠীদের বলেছে, ‘ তোমাদের মেয়েদেরও তো একটু সাবধান থাকা উচিত। তোমরা যদি মাথায় ঘোমটা দিয়ে চলো, তোমাদের শরীর ঢেকে রাখো তাহলেই তো আর ছেলেরা তোমাদের বিরক্ত করবে না!’ এবং এটা ওর দৃঢ় বিশ্বাস যে যেসব মেয়ে বোরখা পরে তাদের সাথে ইভ টিজিং হয় না! সুতরাং যেই মেয়ের ইভ টিজিং হয় সেটা ওই মেয়ের দোষেই হয়!

নিঃসন্দেহে ‘নারী জাতি’ সম্পর্কে এই শিক্ষা তার ঘর থেকেই পাওয়া! এবং ঘরে ঘরে এই চিন্তা-ভাবনার মানুষই বেশি পাওয়া যাবে …

কয়েকদিন আগে গ্রুপে আমার একজনের সাথে তুমুল ঝগড়া হয়ে গেলো কিছু বিষয়ে … যার অন্যতম একটা ব্যাকগ্রাউন্ড ছিলো এটা যে সে স্রেফ ‘ঠাট্টাচ্ছলে’ আমাকে দেখলেই আড়ালে-আবডালে-রাস্তায়-ঘাটে বলতো যে ‘ আমি খালি আছি, প্রেম করবা আমার সাথে?’ … এইসব ঠাট্টা যে একপ্রকার হ্যারাসমেন্ট-এর আওতায় পড়ে, এবং সেই সম্পর্কে যথেষ্ট শিক্ষা যে তার নাই সেটা তাকে বলতে গিয়ে আরেক দফা বাকবিতন্ডা … তাকে আমি এটা আর বোঝাতে পারি নাই যে এই ‘ঠাট্টা’ টাই ঠাট্টাচ্ছলেও কোনো মেয়ের সাথে করাটা ঠিক না… সে আমাকে বারবার বলছিলো, ‘তুমি তো আর দশটা মেয়ের মতোই বিষয়টা দেখছো!’ … আমিও তাকে উলটা এই উত্তর দিয়েছিলাম যে ‘আমি মেয়ে বলেই আর দশটা মেয়ের মতো বিষয়টা দেখছি এবং এভাবেই দেখবো’ … বোধ করি তার বাসায়ও এই অনুশীলনই চলে যে ‘ছেলেরা সুপিরিয়র’ ‘ছেলে মানেই সংসারের হাল’ … এবং তার মা আর বোন –এর সাথে আমাকে সে মেলাতে পারে না বলেই আমি নিশ্চয়ই মেয়ে হিসেবে যথেষ্ট ‘উড়নচণ্ডী’ যে কি না তার ভাষ্যমতে ‘ কার সাথে বিছানায় গেছে সেটাও দিনযাপনে লিখে দেয়’ ! … কারণ সে তো এটাই শিখেছে যে মেয়ে মানেই ঘরে থাকবে, নিচু গলায় কথা বলবে, শালীন পোশাক পরবে ইত্যাদি ইত্যাদি …

আমি মাঝে মাঝেই একটা জিনিস ভাবি … আমি একটা ‘মেয়ে’ ক্যাটাগরির মানুষ হিসেবে এবং সেই সাথে বাংলাদেশের মতো একটা স্টেরিওটিপিক্যাল সমাজব্যবস্থার মধ্যে থেকেও যা যা করি, এবং যা যা জানি তাতে করে সমক্ষতায় ছেলেদের অনুপাত তো অনেক কম! খুঁজলে বরং আমার চেয়েও উঁচুতে আরো অনেক মেয়ে পাওয়া যাবে, কিন্তু সেই অনুপাতে ছেলে পাওয়া যাবে খুব কম! যেমন ধরা যাক, আমি একটা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়াই, আমি ঠাস ঠাস ইংরেজিতে লিখতে, পড়তে, বলতে পারি … মিনিমাম পড়ালেখা করে পরীক্ষা দিলেও যেকোনো পরীক্ষায় উচ্চ মেধাতালিকায় অবস্থান করি, আমার আউট নলেজ এত ভালো যে যে কোন বিষয়ে ইনস্ট্যান্ট আমি দুই-পাতা লিখে ফেলতে পারবো, অনুবাদের মতো কঠিন কাজও আমি যথেষ্ট কনফিডেন্স-এর সাথে করে ফেলতে পারি … আমি ছবি তুলি … আমি ছবি আঁকি … লেখালেখিও করি বেশ ভালো … আমার পর্যবেক্ষণ শক্তি বেশ ভালো … আমি প্রচন্ডরকমের স্বাধীনচেতা … আমি পোশাক-পরিচ্ছদ, চলাফেরা, কথাবার্তা, কাজকর্ম যেকোনো কিছুতেই অনেক সাহসী … কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেক ছেলের চেয়েও সাহসী … আমার মধ্যে আজাইরা স্টেরিওটাইপ নাই … এরকম অনেক অনেক কিছুর সমন্বয়ে আমার সমকক্ষতায় তো আমি আশেপাশে কোনো ছেলেকে দেখি না! …

মাঝখানে মা যখন পারলে আমি যার কথা বলবো তার সাথেই আমার বিয়ে দিয়ে দেয় টাইপের উতলা হয়ে গেলো, তখন একদিন আমাকে জিজ্ঞেস করেই বসলো, ‘এই যে তুই সারাদিন গ্রুপেই পড়ে থাকিস, সেখানেও কি কেউ নাই যাকে তোর পছন্দ হয়? ‘ … আমি দ্বিতীয়বার না ভেবেই উত্তর দিতে পেরেছিলাম যে ‘নাই’ … কারণ প্রাচ্যনাট একটা থিয়েটার গ্রুপ হবার পরেও আমার সমসাময়িক জেনারেশনে, এমনকি আগে-পরের জেনারেশনেও এমন কেউ নাই যার সাথে মানসিকতায়, পড়ালেখায়, সমকক্ষতায় আমার মিলে! … আমার পথচলার সঙ্গী হতে হলে তো হয় তাকে এমন হতে হবে সে আমার চেয়ে বেশি জানে, নয়তো এমন হতে হবে যে আমার চেয়ে কম জানার পরেও সে এমন ভাব দেখাবে না যে সে-ই বেশি জানে, বরং আমি যে অনেক জানি বা বুঝি সেটার ন্যায্য সম্মান দেবে! … সেইরকম ছেলে খুঁজে পাওয়া আর অমাবস্যায় চাঁদ দেখা অবশ্য এখন আমাদের দেশে একই ব্যাপার! … বোধ করি, সারা দুনিয়াতেই! …

যাই হোক, লিখতে শুরু করেছিলাম কী নিয়ে, আর প্রসঙ্গ কোথায় গিয়ে ঠেকেছে! … আমার যে কেন এত ডাল-পালা বাইবার অভ্যাস!

IMG_5126_1

কালকে হরতাল বলে একটা ফাও ছুটি পাওয়া গেলো … একটু রেস্ট নেয়া যাবে … ঠান্ডা লেগে শরীরের অবস্থা খুব খারাপ … তার মধ্যে গতকাল পর্যন্ত তো আর্মি স্টেডিয়ামে ৭ মার্চের ইভেন্ট-টা নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম … পারফর্মেন্স বোধহয় বেশ ভালোই হয়েছে … সবাই দেখলাম বেশ ‘জোশ জোশ’ টাইপের কথাবার্তা বলছে … আমি একমনে পারফর্মেন্স করে গেছি … মনে হচ্ছিলো যে সত্যিই যুদ্ধে যাচ্ছি! চোখমুখের এক্সপ্রেশন কঠিন করে, চোখ ছলছল করে আবেগে গদগদ হয়ে পারফর্মেন্স করেছি! … অনেক বছর আগে, ২০১০-এর একুশ ফেব্রুয়ারিতে আমরা ‘দুনিয়া কাঁপানো তিরিশ মিনিট’ নামে একটা পারফর্মেন্স করেছিলাম ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সামনে আমতলায় … যেখান থেকে একুশের মিছিল শুরু হয়েছি ১৯৫২ সালে … তখনও পারফর্মেন্সটা চলার সময় কেমন শরীরের লোম দাঁড়ায় যাওয়ার মতো অনুভূতি হয়েছিলো! মনে হচ্ছিলো সত্যিই যেন একুশের মিছিলে আছি, ভাষার জন্য আন্দোলন করছি! তখন আমি পারফর্মেন্স করিনাই, স্ক্রিপ্টিং-এর টিমে ছিলাম … কিন্তু ওই মুহুর্তটাই এমন ছিলো যে ওখানের সবারই যেন একই অনুভূতি কাজ করছিলো! গতকালকেও আমার সেরকম লাগলো! কেমন একটা যুদ্ধে যাচ্ছি অনুভূতি!

এবার একটা স্বপ্ন প্রসঙ্গে একটু লিখি … অনেকদিন আগে একবার লিখেছিলাম যে একজনকে স্বপ্নে নগ্ন অবস্থায় দেখেছি, কিন্তু বাস্তবে তাকে বড়জোর খালি গায়ে প্যান্ট পরা অবস্থায় দেখিছি … এখন তাকে যদি গিয়ে সরাসরি বলি যে আমি স্বপ্নে তোমাকে এভাবে দেখেছি, এখন যদি বাস্তবেও দেখতে চাই, তাহলে দেখাবা তাহলে তার প্রতিক্রিয়া কি হবে? … যাকে স্বপ্নে দেখেছিলাম তাকে অবশ্য আর বলা হয় নাই … তো, গতকালকে একজনকে নিয়ে আরেকটা স্বপ্ন দেখার পর মনে হইলো যে কাউকে নিয়ে যদি স্বপ্নে দেখি যে সে আমার সাথে সেক্স করতে চায়, তাহলে সেই স্বপ্নের কথা যদি তাকে বলি যে, ‘ স্বপ্নে দেখলাম তুমি আমার সাথে সেক্স করতে চাও … খুব জড়ায়-টড়ায় ধরলা, হাত ধরে হাঁটলা … সেক্স করার জন্য জায়গা খুঁজলা?’ তখন তার প্রতিক্রিয়া কি হবে? … আমার মাঝে মাঝেই এরকম পোংটামি করতে খুব ইচ্ছা করে … কিন্তু যাকে বলবো তার কি প্রতিক্রিয়া হবে সেটা সম্পর্কে ধারণা নাই বলে করতে পারি না! … দেখা যাবে যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এইসব ঘটনার প্রতিক্রিয়া হয় বিরূপ … কি অদ্ভুত সাইকোলজি মানুষের! যে কোন স্বপ্নের কথা, এমনকি স্বপ্নে কাউক মরে যেতে দেখেছে সেটাও বলে ফেলতে পারে, অথচ স্বপ্নে কেউ কারো সাথে সেক্স করেছে বা করতে চেয়েছে সেই স্বপ্নের বিবরণ সহজে গ্রহণ করতে পারে না … এই যে আমি আজকে দিনযাপনে এটা লিখলাম, সেটা নিয়েই কত মানুষ মুখ টিপে হাসবে যে ‘এইগুলাও লেখে! কি নির্লজ্জ!’ …

যাই হোক, অনেক লিখলাম আজকে … এখন ঘুমাতে যাই …

Advertisements

One response to “দিনযাপন । ০৮০৩২০১৬

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s