দিনযাপন । ০৫০৭২০১৬

‘ছুটি মানেই আলসেমি’ সিনড্রোমে আক্রান্ত হয়ে গত ২/৩টা দিন ধরে লিটেরেলি আলসেমিই করতেসি … পরশুদিন, মানে ৩ তারিখ তাও বের হইসিলাম সন্ধ্যায় … বিগ বস-এ গিয়ে কিছু কেনাকাটা করে তারপর গ্রুপে গেলাম … গ্রুপে কেউ নাই দেখে রানা, গোপী আর আমি নিচেই চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলাম, এর মধ্যে বিপু ভাই আসলো … পরে গ্রুপে উঠে দেখলাম যে আমব্রিন আসছে, আর একটু পরে বকুল ভাই আসলো, রুনা আপু আর অর্জনসহ … গ্রুপেও বেশ একটা ছুটি ছুটি ভাব … আমরা মজা করছিলাম যে যাদের কোনো কাজ নাই, তারাই এখন গ্রুপে আসছি … আমি অবশ্য ওইদিন তাড়াতাড়িই চলে আসছি, পরে আর কেউ আসছে কি না জানি না … এমনিতেই অনেকেই ঢাকায় নাই, যার যার বাড়ি চলে গেছে, আর যারা ঢাকায় আছে তাদের ঈদের ব্যস্ততা … আর গত ১ তারিখের ঘটনার পরে তো ঢাকা শহর ২/৩ দিন বেশ থমথমে ছিলো … শপিং করতেও মনে হয় কেউ বের হয় নাই … কালকে থেকে দেখতেসি মানুষজন একটু একটু করে বের হচ্ছে …

এদিকে গত দুইদিন যাবৎ সারাদিন বৃষ্টি … কালকে তো তাও বিকালের দিকে বৃষ্টি একটু কমসে … কিন্তু আজকে মোটামুটি সারাটা দিন বৃষ্টি পড়লো … কালকে সারারাত শীত লাগছিলো দেখে অস্বস্তিতে ঘুমাতে পারি নাই … এমন একটা ওয়েদার … ফ্যান বন্ধ রাখলে গরম লাগছে, আর গায়ে কিছু দিলেও শীত শীত ভাবটা যাচ্ছে না … সারারাত এপাশ-ওপাশ করতে করতে আর ঘুম হলো না … সকালে মনে হয় ৬টার দিকে ফাইনালি ঘুমালাম … তাও আবার মাঝখানে ঘুম ভেঙ্গে গেলো কারণ মা পায়ের কাছের ল্যাম্পশেড বন্ধ করার জন্য মাল্টিপ্লাগ-এর প্রতিটা সুইচ খুটখুট করে জ্বালাচ্ছিল আর নেভাচ্ছিলো … প্রতিদিন এইটা নিয়ে আমার মা’র সাথে ঝগড়া হয় যে ল্যাম্পশেডটার নিজস্ব একটা সুইচ আছে, ওইটা বন্ধ করে যেন। কিন্তু প্রতিদিনই দেখা যায় যে ওই সুইচ বন্ধ না করে লাইট জ্বলা অবস্থাতেই মা ল্যাম্পশেডের তার টান দিয়ে মাল্টিপ্লাগ থেকে খুলে ফেলে, আর নইলে মাল্টিপ্লাগের সুইচ বন্ধ করে দেয়! … কি এক আজিব যন্ত্রণা! … যাই হোক … অত সকালে ঘুমিয়েছি দেখে ঘুম থেকে উঠলামও দেরি করে … ১২টার দিকে … তারপর অল্প নাস্তা করে, চা খেয়ে টার্ম পেপারের কাজ নিয়ে বসলাম … এই এক টার্ম পেপারের কাজটাও শেষ করতে পারছি না! … তাও পজিটিভ দিক হচ্ছে যে যতটা স্ক্যাটার্ড ছিলাম কাজটা নিয়ে সেটা বেশ গুছিয়ে এনেছি, কি কি বিষয়-আষয় নিয়ে লিখবো, কি লেআউট হবে সেগুলোও সব ঠিকঠাক করে ফেলেছি … এখন খালি কঙ্কালের মধ্যে মাংস বসানোর কাজ করছি … টার্গেট নিয়েছি যে এই শনিবারের মধ্যে টার্ম পেপারের বেসিক কাজ শেষ করে ফেলবো … তারপর ১২ তারিখ পর্যন্ত দিলরুবা ম্যা’ম এর মিডটার্মের পড়ালেখা … স্কুল খোলার দুইদিন আগে, অন্তত একদিন আগে স্কুলের কাজ নিয়ে বসতে হবে … ১৪ তারিখ আর যাই হোক, সিলেবাস আর প্রথম দুই সপ্তাহের লেসন প্ল্যান তো জমা দিতে হবে! … আমার তো তাও আবার এক্টা/দুইটা ক্লাস না, ক্লাস ফোর থেকে ক্লাস এইট, ৫টা ক্লাস! কাজ মোটেও কম না! … এর মধ্যেই, এই ৮-১০ তারিখের মধ্যেই আবার গ্রুপের ফেস্টিভ্যালের একটা পারফর্মেন্স-এরও স্ক্রিপ্ট আউটলাইন বানাতে হবে … সবকিছুই মোটামুটি থিম রেডি, খালি সামারির মত করে পুরো গল্পটা সাজানো আর কি! … ঈদের পরে ১১ তারিখ থেকে রিহার্সাল শুরু হবে, কিন্তু আমি সময় দিতে পারবো না মোটেই … স্কুল, ভার্সিটি এগুলা খুলে গেলে তো আরো না! … ফলে, আমি খালি স্টোরি লাইনআপ পর্যন্তই আছি … রিহার্সাল, পারফর্মেন্স এইসব এর মধ্যে আমার থাকার কোনো উপায় নাই … যেমন, ১৭ – ২১ তারিখ পর্যন্ত ৫ দিনই আমার ক্লাস থাকবে ভার্সিটিতে … খালি ২২ তারিখ ফ্রি … এদিকে ফেস্টিভ্যাল ২৩ জুলাই, শনিবার … ওইদিন আবার ভার্সিটিতে ক্লাস বা পরীক্ষা দিয়ে দিলে তো হইলোই! আম-ছালা সবই যাবে সবদিক দিয়ে! … দিনব্যাপী একটা ফেস্টিভ্যাল, সেটা শুক্রবার হইলে কোনো টেনশনই ছিলো না …

যাই হোক, এর মধ্যে আরেকটা ঘটনা ঘটসে … কি ঘটসে আমি লিখবো না … খালি দিনযাপনে এইটুকু নোটিফাই করে রাখলাম যে বেশ প্রেডিক্টেড একটা ঘটনা ঘটসে ৩ তারিখ … বাকিটা ব্যক্তিগত … আই মিন, যখন মনে হবে ঘটনাটা নিয়ে লেখা যায়, তখন লিখবো …

13498135_1409658485714619_390749404386721516_o

গুলশানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে দেখলাম বেশ ঝড়-বৃষ্টি-সুনামি বয়ে যাচ্ছে … আমি লাস্ট দিনযাপন লিখলাম ২ তারিখ রাতে … ওইদিন লিখেছিলাম যে আইএস ওই হামলার ছবি-টবি দিয়েছে, আবার অ্যাটাকারদেরও ছবি দিয়েছে … তো ওই ছবিগুলো দেখে নাকি আইডেন্টিফাই করা গেছে যে ৫ জনই বাঙালি, তাদের মধ্যে ৩/৪ জনই অবস্থাপন্ন ফ্যামিলির ছেলে, স্বনামধন্য ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়েছে, কেউ এখানেই বেশ নামকরা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়তো, কেউ আবার বাইরে পড়তো, ২/৩ জন নাকি লাস্ট তিন-চার মাস ধরেই নিখোঁজ ছিলো … এগুলা নিয়ে মানুষের বিভিন্নরকমের মন্তব্য দেখছি আর খালি মনে হচ্ছে ফেসবুক এখন লেইমনেস চর্চার একটা বড় জায়গা … কে যে কখন কি চিন্তা করে কি বলে সেটা মনে হয় সে নিজেও জানে না! এদিকে আবার গতকালকে থেকে আরেক নাটক চলছে … একটা ছেলে ছিলো, বাংলাদেশের কোনো এক সোশ্যাল এলিটের নাতি, সে আমেরিকা থাকতো, সেইদিনের হামলায় মারা গেছে … একদল বলছে সে নাকি জাতীয় নায়ক, কারণ বেঁচে যাওয়া জিম্মিরা নাকি বর্ণনা করেছে যে ওই ছেলেটাকে হামলাকারীরা ছেড়ে দিতে চেয়েছিলো, সে তার বিদেশী বন্ধুদের নিয়ে বের হতে চায় শুনে নাকি ওকে শুদ্ধা মেরে ফেলেছে … ওকে নিয়ে পত্রিকায় বেশ সিমপ্যাথিমূলক লেখালেখি হচ্ছে … এর মধ্যে আবার কোনো এক অনলাইন পত্রিকা থিওরি বের করেছে যে ওই ছেলেও আসলে হামলাকারীদেরই একজন … সেটার পক্ষে তারা ‘ভিডিও’ আর ‘ছবি’ সহ বিভিন্ন যুক্তিও দেখাচ্ছে … যারাই সকালে ‘ফারাজ তুমি জাতীয় নায়ক, চিরদিন রবে অম্লান’ টাইপ বাণী দিচ্ছিলো, তাদেরই কেউ কেউ আবার সেটা বিশ্বাস করে ‘ছিঃ ছিঃ’ করে ফেসবুক ভাসাচ্ছে … এদিকে নিব্রাস বলে একজন ছিলো হামলাকারীদের মধ্যে, সে আবার দেখতে বেশ ভালো ছিলো, তার ছবি দিয়ে আবার কিছু কিছু মেয়ে লিখেছে যে তারা নিব্রাসের ওপর ক্রাশ খেয়েছে! এত সুন্দর ছেলে এরকম ‘জঙ্গী’ হয় কীভাবে সেটা তারা ভাবতেই পারছে না … এদেরকে গালাগালি করে আবার একদল ফেসবুক ভাসিয়ে ফেলছে … এদিকে আবার এইসব ছেলেপেলে এত অবস্থাপন্ন জায়গায় থেকে, এত ভালো ভালো জায়গায় পড়ালেখা করেও কেন এরকম হলো সেটা নিয়ে একদল ‘আহারে! কি হইলো! কেন এমন হইলো! কি ব্রেইনওয়াশ করলো ওদের’ টাইপ কিছু লিখছে তো আরেকদল এই মর্মে ফেসবুকে লিখে চলছে যে ‘ব্রেইনওয়াশ-টেইনওয়াশ এইসব মানি না … টেররিস্ট মানেই টেররিস্ট … কই মাদ্রাসার ব্যাকগ্রাউন্ড হইলে তো ব্রেইনওয়াশ প্রসঙ্গই আসতো না! এখন কেন?’ … মানে, সব মিলায় একটা টোট্যাল নাটক চলতেসে ফেসবুকে! …

এর মধ্যে আবার আইএস এর বরাত দিয়েই নাকি একজন টুইটারে লিখেছে যে ২০ জুলাই যমুনা ফিউচার পার্কে নেক্সট অ্যাটাক করবে … আবার কেউ কেউ এইটা নিয়েও ট্রল দিচ্ছে যে ২০ জুলাই তো বুধবার, সো এইটা আসলে ফেক … প্যানিক করার জন্য এমন বলতেসে …

আসলে যে কোনটা সত্য, আর কোনটা মিথ্যা … কোনটা আসল আর কোনটা ফেক … কিছুই বলার মনে হয় অবস্থা নাই এখন … প্রতিদিন নতুন নতুন ডাইমেনশন বের হয়ে আসতেসে ঘটনাগুলির … আজকে যেটা দেখতেসি, আর সেটার বেসিসে যা ভাবতে শুরু করতেসি, পরদিনই দেখা যাচ্ছে যে সেটার সম্পূর্ণ বিপরীত ভাববার মতো একটা কিছু সূত্র বের হয়ে আসতেসে … এর মধ্যেই ফেসবুক জনতা তাদের স্টেটমেন্ট দিয়েই যাচ্ছে, অনলাইন নিউজপোর্টালগুলা এটা-সেটা নিউজ করেই যাচ্ছে, আর পাবলিকও একবার এই দিকে, আরেকবার ওইদিকে দৌড়ায়ই বেড়াচ্ছে … ক্রিটিক্যাল রিজনিং করছে না কেঊই … আচ্ছা, কিছু না করুক, চুপ করে ধৈর্য ধরে তো দেখতে পারে আসলে ঘটনা কোথা থেকে কোথায় মোড় নিচ্ছে? …

গতকালকে নাকি মদিনায় একটা বিস্ফোরণ হয়েছে … কেঊ বলছে গ্যাস সিলিন্ডার ফেটেছে, আবার কেঊ কেঊ বলছে এটা আত্মঘাতী বোমা হামলা … হতেও তো পারে এইটা একটা চেইন অভ ইভেন্টের অংশ! … কে বলতে পারে! সঠিক তথ্য, বা কারা কি করছে তার সঠিক পরিচয় তো আমরা কেউই জানি না! … কাল বাদেই পরশু ঈদ, এখন ঈদের জামাআতে যদি একটা হামলা হয়ে যায় তাহলে? কেউই তো কিছু বলতে পারে না এই মুহুর্তে! … এই যে এত এত লোক বসুন্ধরা সিটিতে যাচ্ছে, যমুনা ফিউচার পার্কে যাচ্ছে, সেখানে যদি একটা হামলা হয়ে যায়? … এই যে এত এত লোক বাড়ি ফিরছে, বাসে, ট্রেনে, লঞ্চে … কোথাও যদি একটা কিছু হয়ে যায়? … ওইদিনই ভাবছিলাম … এই যে থিয়েটার করি … যে কোনো একটা দলের রিহার্সাল ফ্লোরে, কিংবা শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতেই যদি কখনো কোনো একটা জমজমাট দিনে একটা হামলা হয়ে যায়, সেটাও কি অসম্ভব? … এখন আসলে কোনোকিছুরই কি কোনো গ্যারান্টি আছে? …

এখন আমি একটু ব্যক্তিগত কনটেক্সট থেকে একটা বিষয় নিয়ে লিখি … এই যে এই হামলাকারীরা ইংলিশ মিডিয়াম ব্যাকগ্রাউন্ড, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে পড়ে, বা বাইরে পড়াশোনা করে এইসব নিয়ে বিভিন্ন রকমের কথাবার্তা হচ্ছে, তার মধ্যে এই ‘বিয়িং ইংলিশ মিডিয়াম ব্যাকগ্রাউন্ড’ বিষয়টা আমার জন্য কিছুটা হলেও বুক কেঁপে ওঠার মতো! আমি নিজে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়াই, এবং এ যাবৎকাল পর্যন্ত এমন বয়সের ছেলে-মেয়েদেরই বেশি পড়িয়েছি যারা সমাজ, রাজনীতি, ধর্ম এইসব নিয়ে ভাবতে শিখছে, কিংবা ভাববার মতো প্রস্তুতি পাচ্ছে আশেপাশ থেকে … একদিনের একটা ঘটনা বলি … পড়ালেখা করতে চাওয়া, পড়ালেখার ভালো-মন্দ বিষয়ক অনেক কথাবার্তা হচ্ছিলো ক্লাসে … এর মধ্যে একজন বলে বসলো সে টেররিস্ট হবে … সেদিন বিষয়টাকে কিন্তু খুব ফান হিসেবে নিয়েছি … সেই স্টুডেন্টকে উল্টা বলেছিও যে, টেররিস্ট হইতে হলে তো তোমাকে অনেক পড়ালেখা জানতে হবে, সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বুঝতে হবে, জিওগ্রাফি বুঝতে হবে, জানো না, টেররিস্ট হিসেবে তাদেরকেই নেয় যারা অনেক ব্রিলিয়ান্ট …’ … এমনকি ওর ক্লাসমেটরাও খুব মজা করলো যে ও যদি টেররিস্ট হয় তাইলেই হইসে, ওই মিশন জীবনেও সাকসেসফুল হবে না, ও দেখা যাবে ভুল করে নিজের ওপরেই টার্গেট সেট করে ফেলসে! … কিন্তু এখন ওই হামলাকারী ছেলেগুলার ব্যাকগ্রাউন্ড হিস্ট্রি পড়তে গিয়ে রীতিমতো বুক কাঁপলো! যেদিন ওদের ছবি আর ইনফরমেশন পাবলিশড হলো ওইদিন বারবার দেখছিলাম, আর ভাবছিলাম, কেমনে কি? … সেদিন হয়তো স্কুলে ফান করেছি, কিন্তু সত্যি সত্যি যদি একদিন দেখি আমারই কোনো স্টুডেন্ট এরকম কিছু একটা করছে, সেদিন আমার কেমন লাগবে? … আমি ১৫/১৬ বছরের বাচ্চাগুলোকে বাংলাদেশের ইতিহাস পড়াই, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়াই, কথায় কথায় রাজনীতি আর ধর্মের অনেক আলাপ আসে, আমি খুব নিউট্রাল জায়গা থেকে তাদের সাথে এমনভাবে এসব নিয়ে আলোচনা করি যাতে ওরা কোনো পক্ষ কেন্দ্রিক ইতিহাস না শেখে … কিন্তু, ভেতরে ভেতরে ওদের কি হচ্ছে সেটা কি আমি জানি? … আশপাশ থেকে ওদের ওরিয়েন্টেশন কি হচ্ছে তা কি আমি জানি? … কিংবা এই যে ১৪ তারিখ থেকে স্কুলে যাচ্ছি, নতুন সেশন শুরু হচ্ছে, এখন স্টুডেন্টদের প্রতি ট্রিটমেন্ট কি একই থাকবে সবার? … স্পেশালি, উঠতি বয়সী বাচ্চাকাচ্চাগুলো এখন যদি একে অপরকে টেররিস্ট বলাটাকে একটা গেম হিসেবে নেয় তখন বিষয়টা কেমন হবে? … মাঝখানে যখন খুব ব্লগারদের কুপিয়ে মারা শুরু হলো, তখন এরকম ঘটনাও স্কুলে ডিল করতে হয়েছে যে কয়েকজন বাচ্চা একজনকে ধরে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে গলা কাটার ভঙ্গি করছে! এইটাই নাকি খেলা! … কি ভয়ঙ্কর!

সবকিছুই কেমন ওলট-পালট করে দিলো এই একটা ঘটনা … আরও ওলট-পালট করে দেয়ার মতো ঘটনা হয়তো সামনে ঘটতে থাকবে …

এগুলো ভাবতে গেলে এখন অনেক হতাশ লাগে! … কাজ-কর্মেই মন দিতে পারি না! …

থাক! আর লিখবো না … যতই লিখবো, ততই হতাশা বাড়বে …

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s