দিনযাপন । ০৭০৭২০১৬

সো, বরাবরের মতোই সাদামাটা ঈদের দিন গেলো … ১২ টা পর্যন্ত ঘুমালাম … তারপর উঠে চা-নাস্তা … টার্ম পেপারের কাজ কিছুটা আগানো … অমিত আসার পর গোসল টোসল করে দুই ভাইবোন মিলে ‘বহুদিন পর’ এক টেবিলে বসে গল্প করতে করতে ঈদের পোলাও-কোর্মা খেয়েদেয়ে রেডি হয়ে বের হওয়া … ঈদের উছিলাতেই টিয়ামের বাসায় যাওয়া … টিয়ামরা নাই … লালামের সাথেই গল্পগুজব করে অমিত বের হয়ে গেলো আর আমি সাড়ে সাতটা পর্যন্ত থেকে এটা-সেটা টিভির অনুষ্ঠান দেখে কিছুটা সময় কাটায় তারপর বাসায় আসলাম … কতগুলা চ্যানেল, কিন্তু কোনোটারই কোনো প্রোগ্রাম ভালো লাগলো না … একটা চ্যানেলে দেখলাম সেলিব্রিটি কাপলদের নিয়ে গেম শো টাইপের অনুষ্ঠান হচ্ছে … এইগুলাতে মনে হয় অনেক টাকাপয়সা দেয়, আর সে কারণে সেলিব্রিটিরা নিজেদের মান-ইজ্জত খোয়ানোর মতো বিভিন্ন গেম স্কিডে পারফর্ম করে এইসব প্রোগ্রামে পারটিসিপেট করে … এই প্রোগ্রামে দেখলাম আবিদা সুলতানা আর রফিকুল আলমের মতো মানুষও আছে ! … আর গেম স্কিডগুলাও কি যাতা ! একবার ধাঁধা জিজ্ঞেস করে, একবার বেলের শরবত বানাতে দেয়, একবার নাচতে বলে, একবার সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে, একবার ঘর মোছায় … মানে সবমিলায় জগাখিচুড়ি টাইপ ব্যাপার-স্যাপার … চ্যানেল চেঞ্জ করে আরেক চ্যানেলে গেলাম … সেই কোন ঈদে জলের গানকে নিয়ে একটা ডকু-ফিকশন টাইপ প্রোগ্রাম হয়েছিলো, জলের গান পাহাড়ে পাহাড়ে ঘুরে গান করেছে টাইপের ব্যাপার-স্যাপার … সেইটাই দেখলাম রিপিট করছে … এইটা নাকি এইবার ঈদের সাতদিন ধরে দেখাবে! … অনুষ্ঠানের এতই অভাব যে পুরানো অনুষ্ঠান দেখাতে হয়! … আরেক চ্যানেলে গেলাম … দেখি এক নাটক দেখায় … সেই নাটকের ডায়ালগের কোনো আগা-মাথা নাই … যতটুকু দেখলাম মনে হইলো যে প্রটাগনিস্ট এলাকার চেঞ্জমেকার টাইপের মাস্তান … এক ছেলে সিগারেট খেতে খেতে যাচ্ছে … সিগারেট খাওয়া কত ক্ষতিকর, এতে বাতাসে কার্বন মনোক্সাইড আর হাইড্রোজেন সায়ানাইড বাড়ে এই মর্মে সেই মাস্তান প্রটাগনিস্ট সেই ছেলেকে র‍্যাগ দিলো, গাছ আর জংলি ফুলের কাছে মাপ চাওয়াইলো, এই নিয়েই নাটকের ৫ মিনিট শেষ! … এর মধ্যে আবার লালামের সিরিয়ালের টাইম হয়ে গেলো … স্টার জলসা সিরিয়াল … বধূবরণ আর তারপর পটলকুমার গানওয়ালা … টিপিক্যাল ত্যানা প্যাঁচানো টাইপের কাহিনী … একটায় ফ্যামিলি পলিটিক্স, আরেকটায় এক মিউজিক প্রডিজি’র আইডেন্টিটি বিষয়ক জটিলতা … বসে বসে দেখলাম … একটায় দেখলাম যে বাসায় পার্টি হচ্ছে … সেই বাড়িতে উপরের ঘরে বসে হাজবেন্ড তার ওয়াইফকে বলছে যে নিচে পার্টি হচ্ছে, তার বউ না গেলে সেও যাবে না! … তখন ঘরের মধ্যে কাতান শাড়ি পরে সেজেগুজে থাকা ওয়াইফ বলছে যে ‘এই অবস্থায় কি আমি পার্টিতে যেতে পারবো? একটু রেডি হতে হবে না!’ … কি আজিব অবস্থা! আবার পটলকুমার গানওয়ালা আরো ইলজিক্যাল! একটা মেয়ে ছেলে হয়ে হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, গান করছে … ঘটনাচক্রে সে তার বাবা’র কাছেই গান করতে গেছে, কিন্তু তার বাবা তাকে চিনতে পারছে না … আবার সেও জানে না যে এইটাই তার বাবা! … এর মধ্যে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে … আর এখানেই ইলজিক্যাল কাহিনী … সে যে মেয়ে, এবং ছেলের মতো চুল কেটে, প্যান্ট-শার্ট পরে ঘুরছে সেইটা তো হাসপাতালে অ্যাডমিট হবার সাথেই সাথেই ধরা পড়ে যাবার কথা! হাসপাতালে কি দিনের পর দিন আইসিউ-তে শার্ট-প্যান্ট পরায় পেশেন্ট রেখে দেয় নাকি? …

যাই হোক, এসব দেখে-টেখে সিরিয়ালওয়ালাদের কল্পনাশক্তি সম্পর্কে ব্যাপক জ্ঞান লাভ করে বাসায় চলে আসলাম! রাতে আবার বিবি আমাদের সাথে খাওয়া-দাওয়া করলো … ফলে, বেশ একটা ফ্যামিলি ডে টাইপ বিষয়আশয়ের মধ্য দিয়ে গেলাম আর কি আজকে …

FB_20160708_00_20_13_Saved_Picture

এ তো গেলো আজকের দিনের কাহিনী … হিসাব মতে এই ৭ জুলাই তারিখটা বেশ ঘটনাবহুল … অন দিজ ডে’র বিভিন্ন পোস্ট দেখছিলাম, আর তাতে মনে হলো যে গত কয়েকবছরে প্রতি ৭ জুলাইতেই কিছু না কিছু ঘটেছে! … হারানো এবং প্রাপ্তি টাইপের ব্যাপার-স্যাপার … যেমন, ২০১০ সালে মোবাইল হারাইসি, ২০১৪ তে ক্যামেরা … আবার ২০১৫ তে প্রাচ্যনাটে অমিতের স্কুলিং ব্যাচের পারফর্মেন্স ছিলো, সে আবার তার ব্যাচে ফার্স্ট হইলো … ব্যাপক আনন্দের ব্যাপার-স্যাপার …

মোবাইল হারানোর ঘটনাটা প্যাথেটিক! লিটারালিই প্যাথেটিক … কাহিনী হচ্ছে যে জার্নাল ভাইয়ের সাথে একটা ডকুমেন্টারির কাজে ঝিনাইদহ গেসিলাম … এক লোক তার ষাঁড়কে হাতি সাজায় সেইটা নিয়ে গ্রামের মধ্যে ঘুরে বেড়াতো … সেই কাহিনী নিয়ে জার্নাল ভাই একটা ডকুমেন্টারি বানাবে … তো ওইখানে গিয়ে জানা গেলো যে ওই লোক তার কয়েকদিন আগেই ওই ষাঁড় মেরে-কেটে খেয়ে হজমও করে ফেলসে! … তো জার্নাল ভাই-এর পুরা পরিকল্পনা বানচাল! তাও সেখানে দুপুরটা ঘুরে টুরে ওই লোকের ইন্টারভিউ নিয়ে টিয়ে সেই দীর্ঘ ভ্রমণ কিছুটা হালাল করা হইলো … তো সন্ধ্যার বাসে আবার চলে আসবো, তার আগে ওই ঝিনাইদহের যে কন্টাক্ট পারসন ছিলেন তার বাসায় যাওয়া হলো … তো ওই বাসায় গিয়ে গোসল করতে গেছি, প্যান্টের পকেটে মোবাইল ছিলো খেয়ালই নাই … প্যান্ট খুলে ঝাড়া দিয়ে কাপড়ের র‍্যাকে রাখতে গেছি আর মোবাইলটাও একেবারে সুইং করে দারুণ গতিতে পাশের লো-কমোড দিয়ে চলে গেলো ! … কি যে একটা অবস্থা! … চার বছর কি সুন্দরভাবে ব্যবহার করেছি ওই মোবাইল! মোটোরোলা এল সেভেন … আমার প্রথম ক্যামেরাওয়ালা ফোন! … আমি এত ছবি তুলতাম যে মানুষ বলতো আমি ফোন কিনিনাই, একটা ক্যামেরা কিনসি যেইটা দিয়ে ফোন করা যায়! তো যাই হোক, এইরকম প্যাথেটিকভাবে আমার ফোন হারালো সেই ২০১০ এর ৭ জুলাই!

আর ক্যামেরা হারানোর কথা না-ই বললাম … গতবছর লিখেছিলাম কি না মনে নাই … কিনু কাহারের শো ছিলো … সেই শো শেষ করে সোহেলকে টাকা দিতে পান্থপথ গিয়েছিলাম … পান্থপথ থেকে ফেরার পথে কিউবি’র কার্ড কেনার জন্য গ্রিন রোডে ধানমন্ডি ৭ নাম্বারের মোড়ের কাছে নেমেছি, আর তারপর ওই জায়গা থেকে বাসায় আসতে আসতেই যেটুকু সময় ব্যাগটা পেছনে দিয়ে রিকশায় বসে ছিলাম, এর মধ্যেই ব্যাগের চেইন খুলে ক্যামেরা নিয়ে গেছে! … ওইসময় ল্যাপটপের চেম্বার খুললেও ল্যাপটপ নিতে পারে নাই … আলটিমেটলি পরে সেই ল্যাপটপই বাসার জানালা দিয়ে চুরি হলো, যেটা আরেকটা ভিন্ন গল্প! … ক্যামেরা যখন হারাইসে তখন রূপাকে কি জানি ছবি দেয়ার কথা ছিলো আমার, খেয়াল নাই … বাসায় এসে ওকেই সবচেয়ে আগে ফোন দিয়ে সেকারণে ক্যামেরা চুরির কথা জানাইসিলাম এইটা মনে আছে … সোহেলকে জানাইলাম, যেহেতু ওর সাথে দেখা করে ফেরার পথেই ঘটনাটা ঘটলো … ‘হায় হায়! কি বলো! ক্যাম্নে কি!’ টাইপের সিমপ্যাথি সে জানায় নাই … খুব রিলাক্টেন্টলি ও আচ্ছা ! ভালোমতো দ্যাখো কোথাও ফেলে আসছো কি না টাইপের কথাবার্তা বললো … আচ্ছা, আমার সাথে যদি কেঊ দেখা করতে আসে, আর তারপর ফেরার পথে তার কোনো ক্ষতি হয়, তাইলে তো আমার নিজের মধ্যেও অনেক গিল্টি ফিলিং হবে তাই না? …

গত কয়েকদিনে টার্ম পেপারের ব্যস্ততায় আমার সেলফ অ্যানালিটিক, ইন্ট্রোস্পেক্টিভ, পারটিসিপেটরি সোশ্যাল রিসার্চিয় কাজ কারবারে একটু ভাটা পড়ে গেলো! … স্ট্রেঞ্জার চ্যাটিং-এর সাইটটায় যাওয়া হচ্ছে না বেশ কয়েকদিন … আর বিভিন্ন কিসিমও দেখা হচ্ছে না … এদিকে একটু গুছিয়ে ভাবতে যেয়ে দেখলাম যে ইদানীং আমার তিন টাইপের তিনজনের সাথে রেগুলার কথাবার্তা হচ্ছে … একজনের সাথে আমার সেক্সুয়াল বিষয় নিয়ে বেশ খোলামেলা কথাবার্তা হয়, আরেকজনের সাথে সেক্সুয়াল কথা বলতে ভালো লাগে না এবং সেরকম কিছু প্রসঙ্গ আসলেই তার সাথে বেশ উষ্ম আলোচনা হয়, আর আরেকজনের সাথে একেবারেই সেক্সুয়াল বিষয়আশয়েই কথাবার্তা হয় না … বেশ ইন্টেরেস্টিং! … এর মধ্যে তিনজনের সাথে তিনরকমের সিচুয়েশন দাঁড়িয়েছে … যার সাথে সেক্সুয়াল বিষয়আশয় নিয়ে কথাই হয় না, তার সাথে প্রতিদিনই দেশ-জাতি-খেলা-ধুলা-ইত্যাদি-ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বেশ কথাবার্তা হচ্ছে এবং একবার কথা শুরু হলে স্বচ্ছন্দ্যে কথাবার্তা এগিয়ে যায় … ‘আচ্ছা, এখন কি বলবো?’ টাইপ ব্ল্যাঙ্কনেসে থাকতে হয় না … যার সাথে সেক্সুয়াল কথাবার্তা বলতে আমার ভালো লাগে না, সে মাঝখানে দুইদিন দেখা করতে চাইলো, মিরপুরের দিকে আসবে, এসে ফোন করবে টাইপ কথাবার্তা বললো, কিন্তু আলটিমেটলি সেটা হয় নাই, এবং সে ঈদে বাড়ি যাবার কথা এবং এ পর্যন্ত তার সাথে আর যোগাযোগও হয় নাই … হইতে পারে সে ধরে রাখসে যে আমি নিজেও কন্টাক্ট করবো … কিন্তু সামহাও আমার আগ্রহ হয়নাই যে নিজে আগ বাড়ায় কন্টাক্ট করি … তৃতীয়জনের সাথে ধরা যাক আমার এর মধ্যে ঘটনাচক্রে একটা হাল্কা-পাতলা সেক্সুয়াল কন্টাক্ট হইসে … তারই আগ্রহে হইসে … তবে, সেটা একেবারেই মিনিমাম … হিসাবে ধরার মতোও না ..মজার ব্যাপার হচ্ছে যে তার আগের দিন পর্যন্তও আমার সাথে সেক্সুয়াল বিষয়ে কথাবার্তা বলার ব্যাপারে তার যেই আগ্রহ ছিলো, ওই ঘটনার পর থেকে সে ফেসবুকে নক করলেও রিপ্লাই-ই দিচ্ছে না! … আমি পুরা ব্যাপারটাকে বেশ হাল্কা করার জন্য তার সাথে দুইএকদিন বেশ এটা সেটা সেক্সুয়াল প্রসঙ্গ তুলে নক করেছি … দেখলাম যে তাতে পাত্তা না দেয়া ব্যাপারটা আরও বাড়সে … এক হইতে পারে তার মনে হইতেসে যে আবেগের বশে সে এইটা কি করলো, যা করসে সেটা ঠিক হয় নাই … আরেক হইতে পারে, তার মনে হইতেসে যে এখন যদি সে আমার সাথে আগের মতো সেক্সুয়াল আলোচনা চালায় যায়, তাইলে ভবিষ্যতে দেখাসাক্ষাৎ হইলে আরো গভীর সেক্স্যুয়াল কন্টাক্ট হইতে পারে, যেইটা সে হয়তো চায় না যে আমার সাথে হোক … আমার কাছে ব্যাপারটা খুব ইনটেরেস্টিং লাগতেসে … তার পারস্পেক্টিভটা জানি না দেখে একটু ইরিটেটিং-ও লাগতেসে … কিন্তু এইভাবে নিজেকে গুটায় নেয়া বা নক করলে রেসপন্স না করাটাও তো একরকমের রিঅ্যাকশন! … এমনও হইতে পারে সে আমার সাথে আর কখনো স্বাভাবিকভাবে কথাই বলবে না! দেখা হয় যদি কোথাও, তাইলেও কয়েক শ’ হাত দূরে দূরে থাকবে! … তখন আমার আরো বিনোদন অনুভব হবে ঘটনাটায়! … হিউম্যান সাইকোলজি বিষয়টা আসলেই এত ইনটেরেস্টিং! …

তবে, নিজের ব্যাপারে একটা জিনিস ভেবে আমি বেশ মজা পাচ্ছি … সোহেলের সাথে যাবতীয় কাহিনী হবার পর যেই আমি ভেবেছিলাম যে আমার হয়তো আর কোনোদিন কারো সাথে বা কারো প্রতি সেক্সুয়াল বিহেভিয়রের আগ্রহই হবে না, সেই আমি এখন এটাও ভাবছি যে আমি চাইলেই এখন কারো সাথে সেক্সুয়াল অ্যাপ্রোচ তৈরি করতে পারি … কাউকে আমার প্রতি সেক্সুয়ালি অ্যাট্রাক্টেডও করতে পারি, জাস্ট বাই টকিং! … কার সাথে এই কাজটা করবো, আর কার সাথে করবো না, সেটাই চয়েস এবং আন্ডারস্ট্যান্ডিং-এর ব্যাপার … আই থিঙ্ক, আফটার অল দিজ ইয়ার্স, আই অ্যাম মোর ম্যাচিউরড নাও ইন টার্মস অভ সেক্সুয়াল বিহেভিওর! … নাও আই ক্যান অ্যাট লিস্ট ডিফেরেনশিয়েট, হু’জ হু! … এই ম্যাচিউরিটিটা দুই/তিন বছর আগে থাকলে সোহেলের সাথে আমার যাবতীয় কাহিনী ওই ৩১ জানুয়ারি ২০১৪ তেই শুরু হবার আগেই শেষ হয়ে যাইতো …

যাই হোক … মানুষ যেহেতু তার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করে, তাই আমিও করেছি… এবং করছি … এবং করতে থাকবো … অভিজ্ঞতার ঝুলিটা আমার ব্যাপক ডাইভারসিফাইড এবং ওয়াইড এবং সামটাইমস ওয়াইল্ড! এই আর কি! …

বাহ! আজকে আমি বেশ পজিটিভ দিনযাপন লিখেছি দেখা যাচ্ছে! … দিনযাপন লিখতে শুরু করার পর এ যাবৎকালের সবচেয়ে পজিটিভ অ্যাপ্রোচের দিনযাপন কি না সেইটাই ভাবছি! … তারমানে, থিংস আর চেঞ্জিং ইন মি! … মে বি পজিটিভলি! …

অর মে বি আই অ্যাম অ্যাপ্রোচিং টু ইয়েট অ্যানাদার ‘উইয়ার্ড অ্যান্ড ওয়াইল্ড’ চ্যাপ্টার অভ মাই লাইফ! … যেহেতু এইটা মাত্র জুলাই মাস, এবং ঠাডা গরম আর বৃষ্টি, তাই বলতে পারছি না ‘উইন্টার ইজ কামিং!’ …

যাই হোক, অনেক লিখলাম … আজকের মতো এখানেই শেষ করি …

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s