দিনযাপন । ২৮০৯২০১৬

দিনটা আজকে সকাল থেকেই খারাপ গেছে …

ভোরবেলা সাড়ে ৫টায় উঠে প্রতিদিনের মতো সিএনজিওয়ালাকে ফোন দিলাম … গতকালকের মতোই আজকেও সেই লোক ফোনই ধরলো না … বুঝলাম যে আজকেও ঘুম থেকে উঠতে পারে নাই … বের হয়ে প্রায় ৪০/৪৫ মিনিট সিএনজি স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়েই থাকলাম … তারপর যখন স্কুলে পৌছালাম তখন অলরেডি ৮টা ১০ বাজে … গতকালকেও সোয়া ৮টার দিকে স্কুলে গিয়ে পৌঁছেছি … এই মাসে দুইদিন লেট হয়ে গেলো … আর একদিন আছে ওয়ার্কিং ডে, সেখানে লেট হয়ে গেলেই একদিনের বেতন কাটা হয়ে যাবে … সিএনজিওয়ালাকে আজকে ভার্সিটি থেকে ফেরার পথে বললাম যাতে কালকে যেকোনোভাবে উঠে পড়ে ভোরবেলা … সে খুব রিলাকটেন্ট অবশ্য … ‘আপা! আসলে কি জানি হইসে গত কয়দিন ধরে, ঘুম থেকেই উঠতে পারি না’ … কালকেও যদি সে না আসে, তাইলে পান-খাওয়া দাঁত বের করে হেসে হেসে এই কথাই বলবে …

যাই হোক, সারাদিন স্কুলেও কেমন জানি একটা হচপচ টাইপের দিন গেলো … লাস্ট পিরিয়ডে যখন ক্লাস ফোরের প্রজেক্ট ওয়ার্ক করাচ্ছি, তখন পুরাই পাগল হবার অবস্থা হলো … এদিকে ফোরের বাচ্চা-কাচ্চা ‘টিচার এইটা বুঝি নাই’, ‘টিচার ওইটা বুঝিনাই’ বলে জ্বালায় মারছে, তার মধ্যে ক্লাস সিক্সের স্টুডেন্টগুলা এসে এইটা-ওইটা চাচ্ছে, ও এইটা করেছে, ও ওইটা বলেছে বলে বিচার দিচ্ছে … এদিকে ক্লাস ফাইভের জাওয়াতা আর হুমায়রার তখনই অ্যাবসেন্ট ওয়ার্ক করতে হবে, আমি টিচার্স রুমে গিয়ে আবার ওদের দুইজনের খাতা বের করে দিচ্ছি… এদিকে জাওয়াতা ডায়াগ্রাম আঁকবে, খাতা দেখে বুঝছে না, বই নাই, আবার নিজের বই নিয়ে ওকে দিচ্ছি … এদিকে মাদলেন আপা-ও আবার তখনই নিচে যাবার জন্য ডাকছে, আমি আবার টিচার্স রুমে গিয়ে উনাকে ফোন করে বলছি যে ক্লাস শেষে আসবো … মানে বিচ্ছিরি অবস্থা … এর মধ্যে সকালে চিপস আনতে দিয়েছিলাম … সারাদিনে আর সেইটা খাবো বলে বসার সুযোগ হয়নাই … ইন ফ্যাক্ট টিফিন যে আনতে দিয়েছি সেইটাই ভুলে গেলাম … এদিকে দুপুরে ২টার পরে যখন গিয়ে চিপস চাইলাম, বুয়ারা তখন বলে যে চিপস পায়নাই আজকে … এদিকে যেই বুয়া আমাকে টাকা ফেরত দিয়েছে, উনি আমাকে ৪০ টাকা দিয়েছে! … অথচ চিপস না পাওয়া গেলে আমার ফেরত পাওয়ার কথা ৭০ টাকা! … সো, টাকা যখন ফেরত পেয়েছি তখনও খটকা লাগে নাই … দুপুরে আর কিছু খাওয়া হলো না … কফি খেলাম … সাথে দুইটা টোস্ট বিস্কিট …

ভার্সিটিতে গেলাম ৫টার দিকে … ভাবছিলাম যে ডিপার্টমেন্টের অফিসে ক্লাসের টাইমিং জেনে কমন রুমে গিয়ে কিছু খেয়ে নেবো … অফিসের সামনে শামীম ভাই বসে ছিলেন … এমনিতেই বদনাম জুটেছে যে ক্লাসমেটদের সাথে নাকি খুব ভাব নিয়ে চলি … তো উনার সাথে হাই-হ্যালো করতে করতে বিভিন্ন বিষয়ে কথাবার্তা শুরু হলো … তখন আর উঠে যাই কিভাব? … ওইখানেই বসে কথা বলতে থাকলাম … সেখান থেকে সরাসরি ক্লাস …

এবার ক্লাসে গিয়ে আরেক কাহিনী …

লোপা ম্যাম-এর ক্লাস ছিলো … যেহেতু ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাস, উনি ক্লাসে এসে বলছিলেন যে প্রতীতি যে ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রামে জাপান যাওয়ার জন্য সিলেক্ট হলো, সেখানে ওর প্রিভিয়াস একাডেমিক রেজাল্ট কিভাবে হেল্প করেছে ইত্যাদি ইত্যাদি … যাদের মেট্রিক, ইন্টারমিডিয়েট, অনার্স/মাস্টার্স এইগুলাতে অ্যাট লিস্ট ৩ এর মধ্যে ২.৩ ছিলো তারাই নাকি প্রি-সিলেক্টেড হয়েছে … এই রেজাল্ট ইস্যুতে সিলেকশন ব্যাপারটা নিয়ে আমার যেহেতু খুতখুতানি আছে, আমি এটা নিয়ে কথা বলতে শুরু করলাম ম্যামের সাথে … বললাম যে এমনও তো হতে পারে কারো কোনো একটা প্রিভিয়াস রেজাল্ট ভালো না, কিংবা যে কোনো কারণেই কোনো ডিজাস্ট্রাস রেজাল্ট থাকতে পারে, তার আগে বা পরের রেজাল্ট হয়তো সব ভালো … ম্যাম বললেন যে এসবে লাভ নাই, এসব জায়গায় কন্সিস্টেন্সি দেখা হয় … কেন রেজাল্ট ভালো না সেই হিস্ট্রি কেউ দেখবে না, রেজাল্ট ভালো না খারাপ সেটাই দেখবে …

এইটুকু পর্যন্ত ঠিকই ছিলো … তারপর উনি কথায় কথায় বলে ফেললেন যে তোমার রেজাল্ট-ও দেখেছি, নেক্সট-এও তুমি রেজাল্টের জন্যই আটকাবা … কথাটা খুব জোরে ধাক্কা দিয়ে গায়ে এসে লাগলো … বললাম যে তাই যদি হয় তাহলে তো আমার পড়ালেখা ছেড়ে দেয়া উচিৎ … এক অনার্সের রেজাল্টের কারণেই যখন সবজায়গায় আটকে যাবো, তাহলে মাস্টার্স করেই বা লাভ কি, মাস্টার্সে ভালো করেই বা লাভ কি? পড়ালেখা ছেড়ে দেই তাই-ই তো ভালো … ম্যাম-ও পালটা এই টাইপের রেস্পন্স করছিলেন যে তাতে আসলে কারো কিছু যায় আসে না … আমার অলরেডি তখন গলায় কান্না ঠেকে আসছিলো … খুব কষ্ট করে বললাম, ‘ রেজাল্টের ইভালুয়েশন যদি এভাবেই হয়, তাহলে এইটা ম্যাম খুবই আনফেয়ার … স্যরি টু সে…’ … এরপরে ম্যামও বলছিলেন যে এইটা উনাদেরকে জিজ্ঞেস না করে জাপানের ইউনিভার্সিটিকে গিয়ে জিজ্ঞেস করতে, ওদের এরকম নিয়ম … এই সেই … কি জানি কি হইলো আমার … কান্না চেপে রাখতে পারি নাই আমি … খুব কষ্ট করে স্বাভাবিক চেহারা বানিয়ে কপালে হাত দিয়ে মুখ ঢেকে বসে ল্যাঙ্গুয়েজের বইয়ে ভোকাবুলারি দেখতে থাকলাম … কিছুক্ষণ পরে হঠাৎ করেই ম্যাম খেয়াল করে ফেললেন যে আমি কাঁদছি … খুব সম্ভবত ক্লাসের সবাই-ই ততক্ষণে দেখে ফেলেছে … আজকে বসেছিও এমন জায়গায় যে সবাই আমার চেহারা দেখতে পেয়েছে … ম্যামের খালি বলতে দেরি যে ‘একি প্রজ্ঞা কি কাঁদছো?’ … আমি যতটা কষ্ট করে কান্নাটা চেপে রাখছিলাম, ততটাই সবেগে হাউমাউ করে কান্না শুরু করে দিলাম … ম্যাম ধরেই নিলেন ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রামে সিলেক্ট হইনাই দেখে কাঁদছি … একটু নরম গলায় বললেন যে আচ্ছা নেক্সট টাইম দেখা যাবে কোনোটাতে তুমি চান্স পেয়ে গেছো … এইটাই তো শেষ সুযোগ না … আমার এমনই কান্না আসছিলো যে আমি কথাও বলতে পারছিলাম না…কিছুক্ষণ পরে আমি গড়গড় করে বলে গেলাম ‘ ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রামে চান্স পাওয়া না পাওয়াটা এখানে বিষয় না … বিষয়টা রেজাল্ট…ব্যাপারটা যদি এই হয় যে খালি অনার্সের রেজাল্ট ভালো না দেখে আমি কোথাও চান্স পাবো না তাহলে ব্যাপারটা আমার জন্য ফ্রাস্ট্রেটিং … দেখেন ম্যাম, আমার কিন্তু অনার্সে ফার্স্ট ক্লাসই পাওয়ার কথা … বাট আই হ্যাড ইস্যুজ উইথ টিচারস … অ্যান্ড আই হ্যাড টু ওয়েট ফাইভ ইয়ার্স টু গেট মাই রেজাল্ট … আই ইভেন ফেইল্ড … কারণ একজন টিচারই আমাকে ফেইল করিয়ে দিয়েছিলেন … আমার সবজায়গার সব রেজাল্টই ভালো … ইউনিভার্সিটির অ্যাডমিশন টেস্টে থার্টি ফোর্থ পজিশন নিয়ে আমি চান্স পেয়েছি, ভর্তি হয়েছি … আমার তো পড়ালেখা আর করারই কথা না … সেই ফ্রাস্ট্রেশনের মধ্যেই খালি মা’র জোরাজুরিতে আমি মাস্টার্স করতে আসছি … ‘ এইরকম আরো কি কি জানি বলে গেলাম একটানা … ম্যাম একটা কথাও না বলে খুব অবাক একটা এক্সপ্রেশন দিয়ে সব শুনলেন … এইসব কথা আমি এভাবে সবার সামনে ঠাস করে বলে দেবো সেইটা হয়তো উনি এক্সপেক্ট করেননি … কিছুক্ষণ পর আবার জিজ্ঞেস করলেন টিচারদের সাথে ইস্যু তৈরি হয় কেন? … বললাম যে একে তো আমি তেলবাজি করি নাই, তার ওপর আমার সামনে কোনো টিচার যদি মিথ্যা বলেন আমি নিশ্চয়ই চুপ করে থাকবো না … ম্যাম দেখলাম তখনও বেশ সফট … অনেক হাল্কা-পাতলা কথাবার্তা বলে-টলে বললেন যে ‘ম্যাচিউরড হও প্রজ্ঞা! ম্যাচিউরড হও!’ …

14484952_896586540477183_3645505234950230571_nআই গেস, আজকের এই কান্নাকাটির ঘটনা জাপান স্টাডি সেন্টারের কোণায় কোণায় পৌঁছায় যাবে … আর শেষমেশ বিষয়টা দাঁড়াবে এমন যে ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রামে সিলেক্ট হইনাই দেখে দুঃখে কান্নাকাটি করসি! … কতবড় একটা চলমান হতাশার জায়গায় যে একটা সামান্য কথা কত বড় একটা ঢেউ তুলেছে সেইটা হয়তো কেউ বুঝবেই না …

সে যাই হোক …

সমস্যা হচ্ছে যে সেই তখন থেকে এখন এই যে দিনযাপন লিখছি এখনও পর্যন্ত আমি একটু পর পর কেঁদেই চলছি … অসহ্য লাগছে সবকিছু … কাঁদতে কাঁদতে মাথা ব্যথা হয়ে গেছে … সিএনজিতে বসে বসেও কাঁদছিলাম … সিএনজিওয়ালা বোধহয় খেয়াল করেছে … উনিও দেখলাম যে আজকে আর আমার সাথে প্রতিদিনের মতো গল্প-গুজব করলো না …  গোসল করতে গিয়ে চোখের পানি আর শাওয়ারের পানি একাকার করে মন-প্রাণ খুলে কাঁদলাম … ফেসবুকেও স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম খুব হতাশার কথা লিখে … একের পর এক দেখলাম জাপান স্টাডিজের ক্লাসমেটরা খুব অনুপ্রেরণার কথা লিখছে … ভালোই … এই চান্সে মনে হয় ‘ক্লাসে ভাব নেয়া স্টুডেন্ট’ এর তালিকা থেকে আমার নামটা বাদ পড়বে … কেউ তো কথাই বলে না খুব একটা … ভাবে যে নাকউঁচু, খুব অহঙ্কার নিয়ে চলি … এবার হয়তো কথা-বার্তা বলতে আসবে …

কিন্তু জানি না …রবিবারে নেক্সট ক্লাস … আদৌ ক্লাসে যেতে ইচ্ছা করবে কি না … হয়তো যাবো … কিন্তু আল্টিমেটলি ভালো রেজাল্ট করা, পিএইচডি/মাস্টার্স -এর স্কলারশিপের জন্য অ্যাপ্লাই করার জন্য যে মুড নিয়ে পড়ালেখা করছিলাম সেটা হয়তো আর করতে ইচ্ছা করবে না … মাথায় যেহেতু ঢুকেই গেছে যে এক অনার্সের রেজাল্টের কারণেই জীবনে আর কিছুই হবে না, সো আর কিছু করার জন্য কনফিডেন্সও পাবো না … লিটেরেলিই আমার সব কনফিডেন্স এই এক সিলেকশন প্রসেসের ধাঁধায় ভেঙ্গেচুড়ে গেছে … সেটা কয়েকদিন আগে থেকেই হচ্ছিলো … আজকে ফাইনাল স্ট্রোকটা পড়লো … শেষ কোপ … জাপানিজ স্টাডিজ সেন্টারে কয়েকদিন ক্লাস করার পরপরই কেমন একটা পজিটিভ সেন্স তৈরি হতে শুরু করেছিলো যে এইখানে ভালো রেজাল্ট তো হবেই আল্টিমেটলি … স্কলারশিপ নিয়ে বাইরে পড়তে যাওয়া ঠেকায় কে! … বেশি বেশিই মনে হওয় স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলাম … ভুলেই গিয়েছিলাম যে আসলে আমার জন্য এই স্বপ্ন না! …

এই রিয়েলাইজেশনটা হয়তো মার্চ মাসে যখন মাস্টার্সে ভর্তির জন্য পরীক্ষা দিলাম, তখনই আসা উচিৎ ছিলো! তাহলে আর এতগুলা টাকা বেহুদাই খরচ হতো না মা’র … আর আমারও একটা চরম হতাশ, কিছুই হবেনা টাইপ লাইফে আজাইরাই এই এক্সপেকটেশন তৈরি হইতো না যে লাইফে পড়ালেখাটাই ভালো পারি, এইখানেই আসলে শাইন করবো … এই তো আর কয়েকটা দিন তারপর দেখায় দিবো যে আমি আসলে কি! …

এই ভুলটা ভাঙ্গাটাই দরকার ছিলো হয়তো! … আসলেই মনে হচ্ছে যে কিছুই হবে না আমাকে দিয়ে! … লোপা ম্যাম কন্সিস্টেন্সির কথা বলছিলেন … আমার একমাত্র কন্সিসটেন্সি তো ‘ব্যর্থ হওয়া’ … ট্রায়াল অ্যান্ড এরর … ব্যস! এটাই! … আজকে বাসায় ফিরতে ফিরতেও ভাবছিলাম যে বাসায় এসে মাকে বলবো যে আমি আর কন্টিনিউ করবো না জাপানিজ স্টাডিজের পড়ালেখা … শুধু শুধু ২৪ হাজার টাকা খরচ করানোয় দুঃখও প্রকাশ করে নেবো …

যদিও বাসায় এসে কান্নাকাটি-টা লুকিয়ে লুকিয়েই করছি …  

এমনিতেই গত কয়েকদিন ধরেই মন-মেজাজ ভালো না … ৫ অক্টোবর সংক্রান্ত যাবতীয় স্মৃতিগুলা আগামী কয়েকদিনের জন্য ভুলে থাকতে চাই, সেগুলো কিছুতেই ভুলতে পারছি না দেখে খুব অসহ্য সময় পার করছি … সেই সাথে আজকের এই রিয়েলাইজেশ! … বেশ ভালোই কম্বিনেশন …  

জীবনযাপনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এমনভাবে কিছু ক্যাচাল বাঁধিয়ে রেখেছি যেগুলোর কারণে জীবনের প্রতি পদে পদেই আসলে এভাবে ধাক্কাই খেয়ে যেতে হবে … সবচেয়ে ভালো বোধহয় কিছুই আর করারই চেষ্টা না করা! … সেটা পড়ালেখাই হোক, চাকরিই হোক, প্রেম-ভালোবাসা হাবিজাবি যা কিছুই হোক … দিনশেষে হতাশার সামারি এইটাই ‘আমার আসলে কিছুই হয় না … কিছুই পারি না আমি’ …

আজকে আর লিখতে ভালো লাগছে না … ওয়ার্কশিটের কাজ … অ্যাসেস্মেন্টের কাজ … অনেককিছুই করার ছিলো আজকে … কিন্তু কিছুই করতে ইচ্ছা করছে না … ঘরের সিলিং আর ক্রমাগত ঘুরতে থাকা ফ্যানের ব্লেডের দিকেই হয়তো চরম হতাশা নিয়ে তাকায় থাকতে থাকতে কতক্ষণ কাঁদবো, কতক্ষণ চোখ-টোখ মুছে শুয়ে থাকবো … আবার কাঁদবো … এই করতে করতে হয়তো ঘুমায় যাবো … সকালে চরম মাথা ব্যথা নিয়ে ঘুম থেকে উঠবো … আর সারাটা দিন একটা অসহ্য সময় পার করবো …

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s