দিনযাপন । ০৯০২২০১৭

এই সপ্তাহটা কেমন জানি মনে হলো চোখের পলক ফেলার আগেই শেষ হয়ে গেলো! … আজকে স্কুলে বসে আগামী সপ্তাহের লেসন প্ল্যান করছিলাম, দেখি স্কুলের ওয়ার্ক ডেজ-এর হিসাবও যেন তর তর করে এগিয়ে যাচ্ছে! এই টার্মে আমরা মনে হয় সময়ই পাবো সব মিলিয়ে ১০/১২ সপ্তাহ … আর তার মধ্যে অলরেডিই ৩ সপ্তাহ শেষ হয়ে ৪র্থ সপ্তাহ শুরু হয়ে যাচ্ছে! … সময়ই কি এখন দ্রুত আগায়, নাকি আমাদের টাইম পারসেপশন এক্সিলেরেটেড হয়ে গেছে কে জানে! …

গতকালকে দিনযাপন লিখতে বসবো ভেবেছিলাম, কিন্তু সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে শেলফ গুছানো নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেলাম। তারপর এমন ঘুম আসতে থাকলো যে আর বসতেই ইচ্ছা করলো না … আজকেও যেমন আমি বেশ ক্লান্ত। স্কুলেই ছিলাম প্রায় ৬টা পর্যন্ত। এমনিতে হয়তো অতক্ষণ থাকা হতো না, কিন্তু মাঝখানে আবার ঘন্টাখানেকের জন্য বের হওয়া হলো …আমার চিন্তা ছিলো যে স্কুল থেকে যদি ৪টার দিকে বের হই তাহলে শিল্পকলার দিকে যাবো … আজকে শো ছিলো, ‘চম্পাবতী’ নাটকের … প্রাচ্যনাট স্কুলের লাস্ট ব্যাচের প্রযোজনা। গত জানুয়ারির ১৯ তারিখ শো হয়েছিলো, আর আজকে আবার এইটার সেকন্ড শো ছিলো শিল্পকলার স্টুডিও থিয়েটারে … তো স্কুলে কাজ করতে করতেই ৪টার দিকে তুন্না আপু, অ্যানি আপু আর নায়ীমী এসে আমাকে আর কাশফিয়া আপুকে কনভিন্স করতে লাগলো যে ওরা চইঝালে খেতে যাবে, আমরাও যাবো কি না … তো প্রথমে যাবো না যাবো না করতে করতে আমরা রাজি হয়ে গেলাম … এদিকে কাজ তো শেষ হয়নাই, তাই ঠিক করলাম যে আমি আর কাশফিয়া আপু আবার স্কুলে ফিরবো … আর অত ব্যাগ বোচকা নিয়ে তখন কোথাও যেতেও ইচ্ছা করছিলো না। সো, ব্যাগ-ট্যাগ সব রেখেই বের হলাম। তো চইঝালে খেয়ে বের হয়ে আবার কাশফিয়া আপু ধানমন্ডি ২৮ নাম্বারে উনার টেইলার্স-এর দোকানে গিয়ে তারপর স্কুলে ফিরলাম যখন তখন অলরেডি পৌনে ৬টা বাজে। স্কুল থেকে বের হলাম সাড়ে ৬টার দিকে … পার্লারে গেলাম, ভ্রু প্লাক করলাম, তারপর বাসায় ফিরতে ফিরতেই প্রায় সাড়ে ৮টার মতো বেজে গেলো …

আজকে আল্টিমেটলি মনে হয় না আর কোনো কাজ নিয়ে বসা হবে … যদিও ভাবছিলাম যে কিছু ওয়ার্কশিট রেডি করে ফেললে কালকে প্রিন্ট আউট নিয়ে নিতে পারতাম, আর তারপর পরশুদিন ফাইনাল প্রিন্ট আউট নিয়ে নেয়া যেতো … দেখি, দিনযাপন লিখে শেষ করে কিছু করার আর এনার্জি থাকে কি না … আজকে সকালে ঘুম থেকে উঠেই মনে হলো ঘুম পুরা হয় নাই আমার … অথচ কালকে ঘুমিয়েছি প্রায় সাড়ে ১১টার মধ্যে! … ওই ঘুম হয়নাই ভাবটাই সারাদিন রয়ে গেছে চোখে … আর মাথাও কেমন ব্যথা করছিলো … আজকেও মনে হয় তাড়াতাড়ি ঘুম চলে আসবে …

15697940_1810956712477351_5966870365947757275_n

দিন তারিখের হিসাবে আজকে ৯ ফেব্রুয়ারি তারিখটা বেশ সিগ্নিফিকেন্ট আমার লাইফে … ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ … বিশেষ করে এই দুইটা … এবং আমি মাঝে মাঝেই খুব অবাক হয়ে ভাবি যে মাত্র এক বছরের মাথাতেই একই দিনে একই রকমের ঘটনা কীভাবে ঘটে! এত কাকতালীয়ও হয় কোনোকিছু? … এখন যেটা হয় যে ৯ ফেব্রুয়ারি তারিখটা আসলেই আমার মনের মধ্যে খচখচ করতে থাকে যে এবারও কিছু হবে নাকি! … তাও ভালো যে ২০১৫ থেকে এই এবারের ২০১৭ পর্যন্ত আর হিস্ট্রি রিপিট হয় নাই …

৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ওয়াজ দ্য ডে আই হ্যাড মাই ফার্স্ট সেক্স ইন মাই লাইফ … আমার মনে আছে, ওইদিন সানিডেল-এর শীতের মেলা ছিলো … সেই সময় সেন্ট্রাল রোডে আমাদের উপরের তালায় জেম থাকতো … সাথে শরীফ ভাই ভায়োলিন শেখায়, আর সঞ্জয় গিটার … তো ওইদিন সঞ্জয় আমাকে বারবার ফোন দিচ্ছিলো যে সেন্ট্রাল রোডে উপরের তালায় যাবো কি না … তার কিছুদিন আগেই ওর সাথে আমার প্রথম ফিজিক্যাল ইন্টারঅ্যাকশন হয়েছিলো … তো আমিও স্কুল থেকে ফেরার পথে নিজের বাসায় না উঠে ৫ তলায় গিয়েছিলাম … ওইদিন আবার মিরপুরের কোথায় জানি প্রাচ্যনাটের একটা শো ছিলো … তো আমি যখন বাসায় গিয়েছি তখন দেখি নোবেল ভাই, আফসান আর কে জানি ছিলো … তো ওরা চলে গেলো কিছুক্ষণ পর, আমিও বললাম যে বাসায় ফ্রেশ হয়ে তারপরে যাবো … ওইসময় কি নিয়ে জানি সঞ্জয় বেশ মেন্টাল পেইন দিচ্ছিলো … মানে টিপিক্যাল ছেলেদের যা হয় আর কি … খুব কনফিউজড যে ‘এ আমি কি করলাম’, ‘এ আমি কিসের মধ্যে পা দিলাম’ টাইপ কথাবার্তা … তো আমিও সেগুলো নিয়ে খুব ডিস্টার্বড ছিলাম … আমার যুক্তি এখানে পরিষ্কার … আমি যা করবো তা যদি আমি কাউকে বলতেই না পারি, বা সহজে মেনেই নিতে না পারি তাহলে তা আমি করবো না … লুকোচুরি জাতীয় বিষয়গুলা আমার মধ্যে নাই … জলের গানের আড্ডায় যখন যেতাম, তখন সঞ্জয়ের আচরণের বেসিসেই আমি ওর কথায় রেসপন্স করতাম, ফাজলামি করতাম, কাছাকাছি থাকতাম … এক কথায় দুই কথায় এমনিতেই হয়তো জেম, শরীফ ভাই এরা আমাকে নিয়ে সঞ্জয়ের সাথে ফাজলামি করতো, আর সেইটাকে সঞ্জয় অ্যাসোসিয়েট করতো আমার আচরণের সাথে … তো তার আবার মনের মধ্যে কি কি দোনোমনো ছিলো, সে এটা এস্টাব্লিশ করতে ডেসপেরেট ছিলো যে প্রবলেমটা আসলে আমার, আমিই তার পেছনে ঘুরি, আর সে আমাকে পাত্তা দেয় না … কিন্তু আড়ালে আড়ালে ঠিকই সে নিজেই আমার সাথে ফিজিক্যাল ইন্টারঅ্যাকশনের আগ্রহ দেখাতো … তো এগজাক্টলি কি নিয়ে আমি ডিস্টার্বড ছিলাম আমার মনে নাই, কিন্তু বেশ ডিস্টার্বড ছিলাম … ফলে আমি আসলে সঞ্জয়ের সাথে খোলামেলা কথা বলবো এই ইন্টেনশনেই ৫ তলায় গেছি ওর ডাকে … তো যেটা হলো যে কথাবার্তা কিছু বলার আগেই তার ফিজিক্যাল ইন্টারঅ্যাকশনের আগ্রহ আবার চাগার দিয়ে উঠলো, আর সে-ই যে সে নিজেই ‘যদি সেক্স হয়ে যাইতো আমাদের তাইলে কি হইতো’ বলে বলে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করছিলো তার কয়েকদিন আগের আচরণ সে নিজেই আলটিমেটলি হ্যাড সেক্স উইথ মি … ও কথায় কথায় অনেকবারই নিজেকে ‘কখনো সেক্স করে নাই’ বলে দাবি করতো … সত্যি-মিথ্যা আমি কখনো যাচাই করি নাই … তার নাকি একটা গার্লফ্রেন্ড ছিলো, যার সাথে সেই সময় আবার একটা ঝুলন্ত অবস্থা বিরাজ করছিলো … তো ওর দাবি ছিলো যে তার ওই বহুদিনের প্রেমিকার সাথেও নাকি সে কিছু করে নাই … যাই হোক, আমার দিক থেকে অভিজ্ঞতাটা কি ছিলো এখানে ইম্পোর্ট্যান্ট … আমি এমনিতে অনেকের সাথেই অনেকভাবে মিশেছি এর আগে, কিন্তু কখনোই সেক্স করি নাই … সঞ্জয়ের সাথে এই ঘটনার কয়েকমাস আগেই একজনের সাথে চেষ্টা-চরিত্র হয়েছিলো, কিন্তু আই ডিড নট ওপেন আপ সামহাও … সো, আই রিমেইন্ড ভার্জিন … আর সঞ্জয়ের সাথে ফিজিক্যাল ইন্টারঅ্যাকশনের পেছনে ওই আগেরজনের সাথের কিছু অভিজ্ঞতাও ফ্যাক্টর ছিলো … না হলে হয়তো কিছুই হতো না সঞ্জয়ের সাথে … নট ইভেন আ সিঙ্গেল টাচ …

যাই হোক, আমার একটা চিন্তা ছিলো মনে মনে যে যত কিছুই করি, সেক্সটা আমি তার সাথেই করবো যার প্রতি আমার সিরিয়াস ফিলিংস থাকবে … কিন্তু মানুষ যা ভাবে তা যেহেতু সবসময় হয় না, এইখানেও হয়নাই … এমন একজনের সাথে আমার জীবনের প্রথম সেক্স-এর অভিজ্ঞতা হয়েছে যার ব্যাপারে মানসিকভাবে আমার কোনো অনুভূতি ছিলো না … কিন্তু সেসময়টায় আমি আবার ‘যা হয় হবে’ টাইপ একটা ভাবনা-চিন্তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম … মানে, ‘নো রিগ্রেট’ টাইপ একটা জীবনের চিন্তা-ভাবনা … যাকে যা বলবো, যা করবো সেগুলো কোনোকিছু নিয়েই রিগ্রেট করবো না এইসব ভাবতাম … ফলে তখন আসলে বিষয়টা গায়ে লাগে নাই যে নিজের অনেকবছরের জিইয়ে রাখা চিন্তা-ভাবনার একদমই বিপরীত কিছু ঘটে যাচ্ছে …প্রথম যার সাথে চেষ্টা হয়েছিলো, তার ব্যাপারেও যেমন, সঞ্জয়ের সাথে যখন সেই অভিজ্ঞতাটা হলো তখনও এটা নিয়ে আমার কোনো খারাপ লাগা তৈরি হয়নাই যে ‘যা ভেবেছিলাম তার উল্টাটা করে ফেললাম’ …

কিন্তু খারাপ লাগলো অ্যাপ্রোচে … খারাপ লাগলো এইটায় যে বিছানা থেকে উঠেই একজন কেউ আমাকে বোঝাতে শুরু করছে যে তার আসলে আমার সাথে মেশার উদ্দেশ্য কত মহৎ, সে আসলে তার ওই ঝুলন্ত গার্লফ্রেন্ডের ব্যাপারে কত সৎ, সেই গার্লফ্রেন্ডকে কতদিন দেখে না, আজ তার খুব দেখতে ইচ্ছা হচ্ছে তাকে … আমি খুব অবাক হয়ে শুনছিলাম কথাগুলো! … কি যে জাস্টিফাই করতে চাচ্ছিলো কে জানে! তার কি ধারণা ছিলো যে আমি এই ঘটনার পর তার প্রতি দূর্বল হয়ে যাবো, তারপর তাকে জোর করতে থাকবো আমার সাথে প্রেম করার জন্য, আমাকে বিয়ে করার জন্য ? … আমার খুব অদ্ভুত লাগছিলো তার কথাগুলো শুনতে … আমাকে সে যেভাবে বুঝ দিচ্ছিলো তাতে আমার খুব জিদ উঠে গেলো যে মনের মধ্যে এতই যদি হেজিটেশন তাহলে সে আমার সাথে সেক্স করলো কেন? … আমি তো এটাকে খুব নর্মালিই ‘যা হয়েছে হয়েছে’ বলে নিতে পারছি, তাহলে তার কেন এত হেজিটেশন, ‘হায় হায় কি করলাম’ টাইপ মনোভাবনা? … আমি জিদের চোটে কেঁদে ফেলেছিলাম … আর এইসব ক্ষেত্রে যা হয়, আমি আসলে কোনো কথা বলার ভাষাই খুঁজে পাই না … আমার কান্না দেখে তার মনে হয়েছিলো যে তার ধারণাই সত্যি … আমি আসলেই হয়তো তার প্রতি কোনো মানসিক দূর্বলতা থেকেই তার সাথে শুয়েছি! …

সঞ্জয়ের সাথে এরপর আমার আর এক-দুইবার ফিজিক্যাল ইন্টারঅ্যাকশন হয়েছিলো, কিন্তু তারপর তার নিজের আচরণের কারণেই সে আমার দিক থেকে সকলরকমের পজিটিভ অ্যাটিচুড হারায় … আর তার ঠিক একবছরের মাথায় ২০১৪ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আমার সোহেলের সাথে প্রথম সেক্সুয়াল ইন্টারঅ্যাকশন হয়! … কিন্তু কেন জানি ওইদিন আমি ওপেন আপ হতে পারি নাই, ফলে সোহেলের সাথে আমার কোনো পেনেট্রেশন হয় নাই … কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে এই যে সোহেলও ঠিক সঞ্জয়ের মতোই সবকিছু হয়ে যাবার পর খুব গম্ভীরভাব নিয়ে আমাকে বুঝাচ্ছিলো যে আসলে এই সম্পর্কটা হওয়াটা কতটা রিস্কি, কতটা কঠিন ইত্যাদি … আমি তখন এই রিঅ্যাকশনটা সোহেলকে দিয়েছিলাম যে তাহলে শরীর পর্যন্ত বিষয়গুলো গড়ালো কেন, নিজেকে কেন সে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলো না? … পরে আবার সোহেল নিজেই বিষয়গুলা উইথড্র করে নিয়েছিলো, বলেছিল যে না এইটা চলুক …

সেদিন বাসায় ফিরে আবিষ্কার করেছিলাম আমার নেটবুকে বসে যে সে ফেসবুক চালাচ্ছিলো, সেইটা সে লগ আউট করে নাই, এবং আমার সাথে যেরকম করে সে কথাবার্তা, চ্যাটিং চালাতো, একইভাবে আরও অনেকের সাথেই সে কথাবার্তা, চ্যাটিং চালায় … বেশ কয়েকটা মেসেজ আমি পড়েছিলাম … আর তারপর, তার প্রতি কোনো রাগ না দেখিয়ে, উল্টা তাকে হাসতে হাসতে জানিয়েছি যে সে তার ফেসবুক ওপেন রেখে দিয়েছে আমার নেটবুকে … অ্যাজ ইফ, ব্যাপারটা খুব নর্মাল যে একজন ছেলে সম্পর্ক তৈরির কথা বলবে একজনের সাথে, অ্যাণ্ড অ্যাট দ্য সেম টাইপ আরো অনেকের সাথেই! …  

আর সম্ভবত, এখানেই আমি একেবারে ভুল পথে পা বাড়িয়ে দিয়েছিলাম … সোহেলের ওইসব কথাবার্তার পর আমার স্বভাবসুলভ ভাবে ‘চুদলাম না তোরে’ টাইপ অ্যাটিচুড দেখায় সরে যাবার কথা, অথচ আমি যাই নাই … ঠিক সেদিনই যদি ‘তুমি একটা গাট্‌লেস’ বলে আমি সরে যেতাম, তাহলে পরের দশ/বারো মাসের ইতিহাসটা আমার জীবনে অন্যরকম করে লেখা হতো … নাকি এটাই ‘ফেট’? … এইরকম হবার ছিলো বলেই হয়েছে? … এটা কি কোনো গল্পকার এভাবেই লিখেছে যে আমি এরকম এরকম রেসপন্স-ই করবো আর তারপর আমার জীবনে অভিজ্ঞতাগুলোও একের পর এক যা হয়েছে তা-ই হতে থাকবে? … কারণ, না হলে কীভাবে কি হয়েছিলো আমার যে আমি একের পর এক চোখের সামনে বিপদ সংকেত দেখার পরেও সেটাকে পড়তে ভুল করেছিলাম! … কি জাদুমন্ত্রের বশ হয়েছিলাম আমি কে জানে! … সেই ঘোর তারপর এমন একটা সময়ে গিয়ে কেটেছে যখন আমার আর কিছু করার নাই … যখন আমি নিজের হাতে নিজের জীবনকেই ধ্বংস করেছি … ঠান্ডা মাথায় স্রেফ খুন করেছি নিজেকেই! …

আর কি লিখবো আজকে? … আজকের দিনযাপনটা খুব র হয়ে গেলো! … আমার মনে হয় যে-ই আজকে আমার দিনযাপন পড়বে, আমার ব্যাপারে তার টোটাল ইম্প্রেশনে একটা বিশাল নাড়া খাবে … আমি গত দুইদিনে বেশ কয়েকজনকে একেবারে নিজে যেচে পড়ে দিনযাপন পড়িয়েছি … আর আজকে যদি তাদের কেউ কেউ এই দিনযাপন পড়ে তাহলে তারা কে কি ভাবতে পারে সেটাই এখন মাথায় ঘুরছে … এত খুল্লাম খুল্লাভাবে কেউ নিজের সেক্সুয়াল লাইফের বর্ণণা দিচ্ছে একটা পাবলিক ব্লগে, তাও আবার একজন বাঙালি, তথাকথিত মুসলমান ঘরের মেয়ে … বিষয়টা হজম করার অন্তত আমাদের এই সমাজের বেশিরভাগ মানুষের জন্যই খুব কঠিন, একেবারে চিন্তারই বাইরে …

কিন্তু আমি যা করি, তা বলার, বলতে পারার সাহস রাখি … যেটা বলার সাহস রাখি না, সেটা আমি করি না … আর এই সবকিছুই জীবনের এক সোহেল-সংক্রান্ত অভিজ্ঞতায় এসে একেবারে প্যাঁচ খেয়ে গেছে! … আর সেই অনুতাপেই এখন বোধহয় জীবনের কোনো একটা মুহুর্তেও এক দন্ড শান্তি পাই না! … পুরাই দগদগে ঘা হয়ে সোহেলের সাথে আমার যাবতীয় অভিজ্ঞতাগুলো জ্বালায় … খুব জ্বলে … খুব …

যাই হোক, আজকে আর লিখবো না … বিশাল বড় দিনযাপন লেখা হয়ে গেলো আজকে … এখন ঘুম ঘুম পাচ্ছে … খেয়ে ঘুমিয়ে পড়বো কি না ভাবছি …     

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s